ওয়াটা কেমিক্যালের নতুন ইউনিটে কর্মসংস্থান হবে ২০০ লোকের
নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০১৯-০৩-০২ ১৭:৫৫:৫৮

পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত ওয়াটা কেমিক্যালের ২০০ লোকের কর্মসংস্থান হবে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক নজরুল ইসলাম। আজ শনিবার প্রতিষ্ঠানটির সালফিউরিক এসিড প্ল্যান্ট -২ এর উদ্বোধন করা হয়েছে। কোম্পানিটির কারখানা অবস্থিত নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগির গাজী। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, জামালপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোজাফ্ফর হোসেন, রূপগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব শাহজাহান ভুঁইয়া, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সৈয়দা ফেরদৌসী আলম নীলা, মুড়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তোফায়েল আহমেদ আলমাছ, ওয়াটা কেমিক্যালস কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোসাদ্দেক উল আলম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক নজরুল ইসলাম, পরিচালক এ এইচ এম আব্দুল্লাহ, পরিচালক মাহমুদুল হাসান, পরিচালক সুব্রত পাল, জিয়াউল হক এবং কোম্পানির প্রধান অর্থনৈতিক কর্মকর্তা আলী আহসানসহ অন্যরা।
কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন ইউনিটের বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা হবে ৩০ হাজার মেট্রিক টন। বর্তমানে কোম্পানিটি বছরে ১৮ হাজার মেট্রিক টন সালফিউরিক এসিড উৎপাদন করে থাকে। এ হিসেবে কোম্পানির সালফিউরিক এসিড উৎপাদনের ক্ষমতা বাড়ছে ১৬৭ শতাংশ। বিদ্যমান ও নতুন ইউনিটে মোট ৪৮ হাজার মেট্রিক টন এসিড উৎপাদিত হবে।
ওয়াটা কেমিক্যালসের কারখানার প্রশংসা কের এসময় মন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিক অগ্রগতির প্রতিটি স্তরকেই বর্তমান সরকার উন্নয়নের মহাসড়কে নিতে সক্ষম হয়েছে। যা ক্রমেই বৃহৎ পরিসরে ছড়িয়ে পড়ছে। সরকার বিভিন্ন খাতকে এগিয়ে নিতে তার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। এর মধ্যে শিল্প খাতের উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ উল্লেখযোগ্য।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিল্প খাতে ব্যাপক উন্নতির জন্য নানা পদক্ষেপ নিয়েছেন উল্লেখ করে পাটমন্ত্রী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার শিল্প বান্ধব সরকার। শিল্পের উন্নয়নে বর্তমান সরকার যথাসম্ভব চেষ্টা করে যাচ্ছে। শিল্পখাত উন্নয়নের অন্যতম চালিকা শক্তি বিদ্যুতের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন।’
বাংলাদেশ এরইমধ্যে মধ্য আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে আর দেশকে উন্নত দেশের সারিতে নিয়ে যেতে হলে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটানোর কোনও বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেন মন্ত্রী। গোলাম দস্তগীর গাজী বলেন, `উন্নত দেশে যেতে হলে আমাদের শিল্পায়ন করতে হবে। শিল্পায়ন হচ্ছে একদিকে কর্মসংস্থান, অন্যদিকে সমৃদ্ধি।‘
কোম্পানির ব্যাবস্থাপনা পরিচালক নজরুল ইসলাম বলেন, নতুন ইউনিটে প্রায় ২০০ জন লোকের কর্মসংস্থান হবে। এই প্রতিষ্ঠানের উৎপন্ন সালফিউরিক এসিড বিদ্যুৎ উন্নয়র বোর্ড, ওয়াসাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সরবরাহ করা হবে। সেখানেও পরোক্ষভাবে কিছু লোকের কর্মসংস্থান হবে। এর বাহিরেও বুয়েটের ছাত্র-ছাত্রারী এই কোম্পানিতে প্রশিক্ষণ নিতে আসে। সেখানেও প্রতিষ্ঠানটি একটি ভালো ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে কোম্পানির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন প্রধান অর্থ কর্মকর্তা আলী আহসান| তিনি বলেন, ১৯৮১ সাল থেকে শুরু ২০০৪ সালে এই কোম্পানির দায়িত্ব নেয় নতুন পরিচালনা পর্ষদ। নতুন ইউনিটের মাধ্যমে বছরে ৩০ হাজার টন সালফিউরিক এসিড উৎপন্ন করা যাবে। আগের ইউনিটের ক্ষমতা ছিল প্রতি বছরে এক হাজার টন। এখন থেকে বছরে মোট ৪৮ হাজার টন সালফিউরিক এসিড উৎপন্ন হবে এই কোম্পানি থেকে।
দেশের প্রয়োজনীয় সালফিউরিক এসিডের ৮০ শতাংশ সরবরাহ করে ওয়াটা কেমিক্যাল। তবে কাঁচামাল আমদানিতে বিশেষ বিভিন্ন ধরনের জটিলতায় পড়তে হয় তাদের। এসিড শিল্পের সমৃদ্ধির মাধ্যমে অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার জন্য আমদানি ভোগান্তি কমিয়ে আনার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।







সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













