দেশের বিভিন্ন জেলার ৬২ শতাংশ জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কে কোন সাইন-সংকেতের ব্যবস্থা নেই। এ সকল মহাসড়কে ৫ হাজার ৫ শ কিলোমিটার যথাযথ সাইন-সংকেত র্বোড বসাতে ৬ শ ৩২ কোটি টাকার একটি প্রকল্প নিয়েছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ)। প্রথমবারের মত বিমানবন্দর সড়কে লাগানো হয়েছে এ্ই সাইন-সংকেত বোর্ড।
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (সওজ) প্রধান প্রকৌশলী ইবনে আলম হাসান বলেন, বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর মত মহাসড়কে রোডসাইন ও মার্কিং করার পরিকল্পনা রয়েছে। এজন্য ছয় হাজার কিলোমিটার মহাসড়কে রোড সাইন ও মার্কিংয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রকল্পটি যাচাই শেষে এখন পরিকল্পনা কমিশনে রয়েছে।
ঢাকা সড়ক বিভাগ জানায়, বিমানবন্দর সড়কে দেশের প্রথম ডিজিটাল সড়ক নির্মাণের কাজ চলমান। এর পাশাপাশি এখানে সব ফুটওভার ব্রিজে সাইন-সংকেতযুক্ত বোর্ড লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে সড়কে চলাচল করা যানবাহনগুলো নির্দেশনা অনুসরণ করে চলতে পারবে।
এছাড়া বিমানবন্দর সড়কে প্রথমবারের মত অত্যাধুনিক মেশিনে রোড মার্কিং করা হয়েছে। রাতে গাড়ির লাইটের আলোতেও গাঢ় ভাবেই ভেসে উঠে এসব রোড মার্কিং।
জানা গেছে, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর-সওজ এর অধীনে সারা দেশে মহাসড়ক রয়েছে প্রায় আট হাজার কিলোমিটার। এর মধ্যে জাতীয় মহাসড়ক তিন হাজার ৮২৭ কিলোমিটার এবং আঞ্চলিক মহাসড়ক চার হাজার ২৪৭ কিলোমিটার। আট হাজার কিলোমিটারের মধ্যে দুই হাজার কিলোমিটার মহাসড়কে বিভিন্ন ধরনের উন্নয়ন প্রকল্প চলমান থাকায় বাকি ছয় হাজার কিলোমিটার সড়কে রোড সাইন ও মার্কিং স্থাপন করা হবে। একই সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ কিছু সড়কের করিডোর উন্নয়ন করা হবে।
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (সওজ) তথ্য বলছে, দেশের ৬২ শতাংশ জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কে যথাযথ সাইন-সংকেতের ব্যবস্থা নেই।
বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ‘ভিনাইল ওয়াল্ড বিমানবন্দর সড়কে রোড সাইন ও মার্কিংয়ের বিষয়ে সড়কটির দায়িত্বপ্রাপ্ত -এর প্রধান নিবার্হী কর্মকর্তা আবেদ মনসুর জানান, অনেক দূর থেকেও দৃশ্যমান হবে এমন সড়ক নির্দেশক বোর্ড লাগানো হয়েছে। ঢাকা বিমানবন্দর সড়কের সব ফুটওভারব্রিজ ও ঢাকা নবীনগর সড়কে পরীক্ষামূলক ভাবে তারা এটি করছেন। এছাড়া সড়কে রেট্রো রিফ্লেকটিভ রোড মার্কিং করা হয়েছে। সওজ চাইলে সারাদেশের সব সড়কে ভিনাইল ওয়ান্ড এ প্রকল্প বাস্তবায়নে এগিয়ে আসবে।