বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য সহজীকরণ ও চোরাচালান বন্ধে ভারতের কাস্টমস গোয়েন্দা ডিরেক্টরেট অব রেভিনিউ ইন্টিলিজেন্স (ডিআরআই) এবং বাংলাদেশের শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক পর্যায়ে প্রথমবারের মত আলোচনা শুরু হয়েছে।
আজ রবিবার (৩১ মার্চ) থেকে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে দু’দিনব্যাপী আলোচনায় উভয় দেশের কাস্টমস কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন।
এই আলোচনায় ভারতের ডিরেক্টরেট অব রেভিনিউ ইন্টিলিজেন্স (ডিআরআই) এর ৮ সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রতিষ্ঠানটির মূখ্য মহাপরিচালক দেবী প্রসাদ দাস।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূইয়া অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।
ড. সহিদুল ইসলাম বলেন, বাণিজ্য সহজীকরণ থেকে শুরু করে স্বর্ণ চোরাচালান,অবৈধ পণ্য প্রবেশে কঠোর নজরদারি,গরু পাচার,মাদক পাচারসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হবে। সীমান্ত নিরাপদ রাখার পাশাপাশি মিথ্যা ঘোষণায় পণ্য আমদানি বন্ধের বিষয়েও আলোচনা হবে। তবে এর বাইরে আরো নতুন এজেন্ডা আলোচনায় যোগ হতে পারে বলে জানান এই কর্মকর্তা।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈঠকে উভয় দেশেই বাণিজ্য সহজীকরণের উপর গুরুত্বারোপ করা হবে। এছাড়া আলোচ্য বিষয় হবে জাতীয় নিরাপত্তা, তড়িৎ খালাস, বিলুপ্ত প্রায় বণ্যপ্রাণী সংরক্ষণ, পারক্রুসার কেমিক্যালের অবাধ পরিবহন চলাচল মনিটরিংপূর্বক নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে সমন্বিত ব্যবস্থাপনা, তথ্য সহযোগিতার বিষয়টিও।
বাংলাদেশের পক্ষে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরে মহাপরিচালক ড. সহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের একটি দল আলোচনায় অংশ নেন।