প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের প্রাইভেট সেক্টরের প্রবৃদ্ধির বিকল্প নেই। যদি আমাদের আগামীর অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি বাড়াতে হয় তাহলে প্রাইভেট সেক্টরকে আরো বেশি সুযোগ সুবিধা দিতে হবে। আর এ প্রাইভেট সেক্টরকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রথম এবং প্রধান মাধ্যম হতে পারে পুঁজিবাজার। পুঁজিবাজার বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে কর্মসংস্থান ও জাতীয় আয় বৃদ্ধি করা সম্ভব।
বৃহস্পতিবার (০৪ এপ্রিল) রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে শেয়ারবাজার নিয়ে আয়োজিত তিন দিনের ক্যাপিটাল মার্কেট এক্সপো ২০১৯ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি। চতুর্থ বারের মতো এ ক্যাপিটাল মার্কেট এক্সপোর আয়োজন করেছে অর্থসূচক।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম খায়রুল হোসেন।
সম্মনীত অতিথি ছিলেন ডিবিএ সভাপতি শাকিল রিজভী, বিএমবিএ সভাপতি নাছির উদ্দিন চৌধুরী ও ভিসিপিইএবির সভাপতি শামীম আহসান।
ডিএসই ব্রোকারস’ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শাকিল রিজভী বলেন, আমরা বেশ কিছুদিন থেকেই বিনিয়োগকারীদের সচেতন করার চেষ্টা করছি। আমাদের সাথে অর্থসূচক পরিবার যুক্ত হয় তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই।
বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শেয়ার কেনার বিষয়ে ডিএসসি বা বিএসইসির দোষ দিলে চলবে না। শেয়ার কেনা বেচার বিষয়ে বিনিয়োগকারীদেরই সচেতনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
শাকিল রিজভি বলেন, যেসব কোম্পানির বাৎসরিক বিক্রয় বেশি সে সকল কোম্পানির শেয়ার কিনুন। পেইড আপ ক্যাপিটাল যত বড়ই হোক না কেন বিক্রয় না বাড়লে কোনভাবে লাভবান হওয়া যাবে না। তার ভালো হওয়ার অপেক্ষা করেও লাভ নেই।
বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নাসির উদ্দিন চৌধুরী বলেন, পুঁজিবাজারের কাজ হলো অর্থনীতিকে চাঙ্গা করা এবং দেশের কর্মসংস্থান তৈরি করা। এ উদ্দেশ্য সফল করার জন্য এবং ছোট পুঁজির কোম্পানিগুলোর জন্যও সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে। বিনিয়োগে কিছুটা পিছিয়ে পড়া পুঁজিবাজার এই এক্সপোর মাধ্যমে সচেতন বিনিয়োগ কিছুটা হলেও বাড়বে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
সান বিডি/এসকেএস