

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার তৃতীয় দিনে জালিয়াতির দায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ নয়জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর তারিকুল হাসান জানান, বুধবার প্রকৌশল অনুষদভুক্ত ‘এইচ’ ও জীব ও ভূ-বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘এফ’ ইউনিটের পরীক্ষা চলাকালে বিভিন্ন অভিযোগে আটক ১৩ জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিলুফা বেগম নয়জনকে সাজা দেন।
এদের মধ্যে হাসানুল বারী নামে একজনকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং আটজনকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। অন্য চারজনকে বহিষ্কার করে পুলিশে দেয়ার নির্দেশ দেন ম্যাজিস্ট্রেট।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেকানিক্যাল ইঞ্জনিয়ারিং বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আনাস মোহাম্মদ মারুফ, তুষার খান, হাজি দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মশিউর রহমান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি সাহিত্য বিভাগের প্রথম বর্ষের জামশেদুল ইসলাম, উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের আশিকুর রহমান, রাজশাহী কলেজের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের আব্দুল্লাহ আল নোমান, পাবনা অ্যাডওয়ার্ড কলেজের সিদ্দিকুর রহমান, চাপাইনবাবগঞ্জের সাদিকুল ইসলামের ছেলে জিকেন আলী ও কুষ্টিয়ার দৌলতপুর এলাকার নাজমুস শাহাদাতের ছেলে হাসানুল বারী।
বহিষ্কৃৃত ও আটকৃতরা হলেন, রাজশাহী মেডিকেল কলেজের ডেন্টাল ইউনিটের প্রথম বর্ষের মিজানুর রহমান, বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকের কলেজের প্রথম বর্ষের ফরিদ উদ্দিন, রাজশাহীর হরিয়ান এলাকার হাসান মিয়ার মেয়ে আয়েশা সিদ্দীকা ও রাজশাহীর মতিহার থানার শ্যামপুরের মাহফুজুর রহমান বাদশার ছেলে শাহরিয়ার পারভেজ।
নগরীর মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবীর জানান, দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে আটজনকে এরইমধ্যে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অপরজনকে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এর আগে ভর্তি পরীক্ষার দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার জালিয়াতির দায়ে ঢাকা ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ চারজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সানবিডি/ঢাকা/হৃদয়/এসএস