স্টেইকহোল্ডারদের পরামর্শ নিয়ে বাজারের উন্নয়ন করতে চাই: বিএসইসি চেয়ারম্যান

সান বিডি ডেস্ক আপডেট: ২০১৯-০৪-২৮ ১৯:২২:০৮


বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান বলেছে, আপনারা বাজারের উন্নয়নে যা বলে; তাই আমরা করে দিবো। বাজারকে সাপোট দেন। আজ রোববার ডিএসই ব্রোকারর্স অ্যাসোসিয়েশন (ডিবিএ) ও শীর্ষ ২০ ব্রোকার এই বৈঠকে তিনি এ সব কথা বলেন।  টানা ১৩তম সপ্তাহে দরপতনের প্রেক্ষাপটে আজকের এ বৈঠকে বসেছিলো বিএসইসি।

বৈঠকে স্টেকহোল্ডারদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিলো- মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোর রি-ইনভেস্টমেন্ট ইউনিট (আরআইইউ)  বন্ধ করা, বন্ডের বাজার চালু করা, আর্থিক প্রতিষ্ঠানভিত্তিক ব্রোকারহাউজ ও মার্চেন্ট ব্যাংকগুলোর নিজস্ব সক্ষমতা বাড়াতে সহজে বন্ড ইস্যুর সুযোগ দেওয়া,ব্রোকারহাউজগুলোর প্রধান কার্যালয়ের সম্প্রসারিত অফিস স্থাপনের সর্বোচ্চ দূরত্ব বাড়ানো,প্লেসমেন্ট শেয়ার নিয়ে বিএসইসির একটি কার্যকর নিয়ম তৈরি করা, কোম্পানির পরিশোধিত মূলধনের ২০ শতাংশের বেশি প্লেসমেন্ট শেয়ার ইস্যুর অনুমোদন না দেওয়া, স্ক্রিপ নেটিং, পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ গণনার ক্ষেত্রে বন্ড, ডিবেঞ্চার ও কৌশলগত বিনিয়োগকে বাইরে রাখা ইত্যাদি সুপারিশ করেন।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেন, পুঁজিবাজারের উন্নয়নের স্টেইকহোল্ডারদের পরামর্শ অনুযায়ী বাজারের উন্নয়নে কাজ করতে চাই। বৈঠকে তিনি বলেন, আমরা আরআইইউ বন্ধে ইতোমধ্যে পদক্ষেপ নিয়োছ; খুব শিগগির এর প্রতিফলন দেখতে পাবেন।

এ বিষয়ে ডিবিএ সভাপতি মো: শাকিল রিজভী সানবিডিকে বলেন, আজকের বৈঠকটি অনেক ইতিবাচক হয়েছে। বিএসইসির চেয়ারম্যান স্টেইকহোল্ডারদের পরামর্শ অনুযায়ী বাজারের উন্নয়নে কাজ করতে চায়। আমাদের প্রস্তাবগুলোর মধ্যে যার তাঁর অধীনে আছে; সেগুলো যতদ্রুত সম্ভব বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছেন। অন্যগুলো মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলাপ করার মাধ্যমে সমাধান করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

 

এদিকে পর্যালোচনায় দেখা গেছে, চলতি দরপতন দীর্ঘ পতনের রেকর্ড গড়েছে। ২০০৪ সালের পর থেকে গত ১৫ বছরে টানা সর্বোচ্চ ১১ সপ্তাহ দরপতন হয়েছিল ২০০৮ সালের জুন থেকে আগস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত। ওই দরপতনে তৎকালীন প্রধান মূল্য সূচক ডিএসই জেনারেল (ডিজেন) ৪৯২ পয়েন্ট বা সাড়ে ১৫ শতাংশ কমেছিল। চলতি দরপতনে এখনকার মূল্য সূচক ডিএসইএক্স কমেছে ৭৪৫ পয়েন্ট বা সাড়ে ১২ শতাংশ।

বাজার সংশ্নিষ্টরা জানান, ডিজেন সূচকের পতন বিবেচনায় বর্তমান ডিএসইএক্সের পতন কম মনে হতে পারে। প্রকৃতপক্ষে বাজারের সব শেয়ার নিয়ে ডিজেন সূচক গণনা হতো। ডিএসইএক্স সূচক গণনা করা হয় শুধু ফ্রি-ফ্লোট শেয়ার বিবেচনায়। ফলে ডিএসইএক্স সূচকের ১০০ পয়েন্ট পতন হলে ডিজেন বিবেচনায় তা ১৫০ থেকে ২০০ পয়েন্ট পর্যন্ত হতে পারে। এ হিসাবে গত ২৭ জানুয়ারি ডিএসইএক্স ৫৯৯২ পয়েন্ট থেকে গত তিন মাসে প্রায় ৪০০০ পয়েন্টে নেমেছে বলে মনে হচ্ছে।

বিস্তারিত আসছে…..