
পুঁজিবাজারের ব্যাংক এবং এনবিএফআই এর বাড়তি বিনিয়োগের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। পুঁজিবাজারের উন্নয়নে এবং তারল্য সংকট সমাধানে এর কোনো বিকল্প দেখছে না বিএসইসি, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এবং বাংলাদেশ ব্যাংক। চারটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আলোচনার পর এই সিদ্ধান্তেে আসার আশ্বাস দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিনিধিরা। এক্সপোজার সমস্যা সমাধানে ইতিবাচক সায় দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
বৃহস্পতিবার (৯ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের পুঁজিবাজর সংক্রান্ত এক সভায় গভর্নর ফজলে কবির এ আশ্বাস দেন। সভায় বিএসইসি চেয়ারম্যান ড. এম. খায়রুল হোসেন ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম, ডেপুটি গভর্নর এস এম মনিরুজ্জামান, আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কাজী ছানাউল হকসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ডেপুটি গভর্নর এস এম মনিরুজ্জামান বলেন, ননলিস্টেড কোম্পানির যে শেয়ার ব্যাংক ও সাবসিডিয়ারি কোম্পানিগুলোর কাছে রয়েছে, তা পুঁজিবাজারে ব্যাংকগুলোর বিনিয়োগসীমা (এক্সপোজার) হিসেবে গণ্য হয়। আলোচনায় এসেছে এটি স্টক এক্সচেঞ্জে ট্রেড হয় না। কারণ এটি ননলিস্টেড। এটি ব্যাংকগুলোর এক্সপোজার থেকে বাদ দেয়ার জন্য বলা হয়। গভর্নর বিষয়টি পজেটিভলি বিবেচনা করবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন।
ননলিস্টেড কোম্পানির শেয়ার এক্সপোজার থেকে বাদ দিলে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ বাড়বে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ব্যাংকগুলোর কাছে ননলিস্টেড অনেক কোম্পানির শেয়ার আছে। এ কারণে নতুন করে বাজারে বিনিয়োগ করতে পারছে না। এটি বাদ দেয়া হলে বিনিয়োগসীমা বাড়বে। অর্থাৎ পুঁজিবাজারে ব্যাংকগুলো বিনিয়োগ বাড়াতে পারবে।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান আইসিবি মূলধন বাড়ানোর জন্য বন্ড ছেড়েছে। এটি ব্যাংকগুলোই কিনবে। এটি এক্সপোজার লিমিটের মধ্যে আসবে না। আর ব্যাংকগুলো বন্ড কিনলে ওই টাকা আইসিবি পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করতে পারবে। ২০০ কোটি টাকা বন্ডের অফার রয়েছে।
নতুন বিনিয়োগ প্রসঙ্গে ডেপুটি গভর্নর বলেন, পুঁজিবাজারে ৯০০ কোটি টাকা ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের জন্য দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে আরও সাড়ে ৮০০ কোটি টাকা আছে। ওই টাকাও দ্রুত পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ বিষয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেই কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক অনুমোদন দেবে।