চলতি বছরই আফ্রিকায় মোটরসাইকেল রফতানি করতে চায় রানার
নিজস্ব প্রতিবেদক আপডেট: ২০১৯-০৫-২১ ১৭:১৩:১১

দিন দিন এগিয়েই চলছে দেশের অন্যতম মোটরসাইকেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রানার অটোমোবাইলস লিমিটেড। কোম্পানিটি বর্তমানে নেপাল ও ভূটানের বাজারে মোটরসাইকেল রফতানি করছে। চলতি বছরেই আফ্রিকায় মোটরসাইকেল রফতানি করতে চায় প্রতিষ্ঠানটি। লেনদেন শুরু আগে এমন ইচ্ছার কথা জানান প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মো. হাফিজুর রহমান খান।
আজ মঙ্গলবার দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে একত্রে লেনদেন শুরু হয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। লেনদেন শুরুর আগে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সঙ্গে চুক্তি সই করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিয়াজুল হক, পরিচালক খালেদ কাদের,মোহাম্মদ আলী দিন, জহরুল আলম, মোয়াল্লেম চৌধুরী, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের মহাব্যবস্থাপক গোলাম ফারুক, আইসিবির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফায়েকুজ্জামান, ইস্যু-ম্যানেজার প্রতিষ্ঠান আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনিরুজ্জামান, রেজিস্ট্রার প্রতিষ্ঠান লংকাবাংলা ইনভেস্টমেন্টসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (চলতি দায়িত্ব) ইফতেখার আলম, পোস্ট-ইস্যু-ম্যানেজার সেটকম আইটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্বদেশ রঞ্জন সাহাসহ উর্ধতন কর্মকর্তারা।
মো. হাফিজুর রহমান খান বলেন, আমরা শুধু টাকার জন্য প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে (আইপিও) আসিনি। কোম্পানিটিকে দীর্ঘমেয়াদে টিকিয়ে রাখার জন্য পুঁজিবাজারে এসেছি। আমাদের প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অনেক পরিশ্রম করে প্রতিষ্ঠানটিকে এ পর্যায়ে নিয়ে এসেছে। দীর্ঘ দিন প্রতিষ্ঠানটি সুনাম ও আস্থা অর্জন করে ব্যবসা পরিচালনা করছে। আগামী দিনেও সবার সহযোগিতা নিয়ে এই সুনাম আরও বৃদ্ধি করতে চাই। কোম্পানিটিকে টিকিয়ে রাখতে চাই বছরের পর বছর।
তিনি বলেন, রানার দেশের গন্ডি পেরিয়ে এখন বিদেশে রফতানি করছে। বিদেশে রফতানি করা দেশের সংখ্যা আমরা আরও বাড়াতে চাই। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি নেপাল ও ভূটানে রফতানি করছে; চলতি বছরেই আমরা আফ্রিকায় মোটরসাইকেল রফতানি করতে চাই। সেই লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে রানার।
হাফিজুর রহমান বলেন, পুঁজিবাজারে আসার মাধ্যমে আমাদের দায়িত্ব আগের তুলনায় আরও বেড়ে গেছে। অনেক শেয়ারহোল্ডার আমাদের সাথে যুক্ত হয়েছেন। আমরা তাদের সবাইকে নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই।
ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিয়াজুল হক বলেন, আইপিওতে শেয়ারহোল্ডারা আমাদের উপর যে আস্থা রেখেছে; আমরা তার প্রতি সম্মান দেখিয়ে কোম্পানিকে আরও কিভাবে সামনের দিকে এগিয়ে নেয়া যায়, সেই লক্ষ্যে কাজ করে যাবো। এর মাধ্যমে আমাদের দায়িত্ব আরও বেড়ে গেল।
প্রধান অর্থ কর্মকর্তা নজরুল বলেন, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির আগ থেকেই আমরা কমপ্লায়েন্স পরিপালন করে আসছি। এখন এটি আরও বৃদ্ধি করতে চাই। এগিয়ে যেতে চাই সামনের দিকে। একটি কমপ্লায়েন্ট প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে চাই রানার অটোমোবাইলসকে।
এদিকে ৯৭ টাকা ৩০ পয়সা দরে প্রতিটি শেয়ার লেনদেন শুরু হয়েছে। সারাদিন জুড়েই লেনদেনর শীর্ষে ছিল প্রতিষ্ঠানটি। দিনশেষে প্রতিটি শেয়ারের লেনদেন হয় ১০০ টাকা ৪০ পয়সায়। আর লেনদেন হয় মোট ৩৫ লাখ ২২ হাজার ১৮ টি শেয়ার।







সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













