আজ সকাল ৯টার দিকে কমলাপুর রেলস্টেশনে ৩১ মের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়। এই টিকিট কাটতে গতকাল মঙ্গলবার রাত থেকেই স্টেশনের কাউন্টারে অবস্থান নেন টিকিটপ্রত্যাশীরা। বর্তমানে কাউন্টার চত্বর ছাড়িয়ে স্টেশনের প্রবেশপথ পর্যন্ত গিয়ে ঠেকেছে টিকিটপ্রত্যাশীদের দীর্ঘলাইন।
কমলাপুরসহ ঢাকার ৫টি জায়গা থেকে এই টিকিট দেওয়া হচ্ছে। আজ দেওয়া হচ্ছে আগামী ৩১ মের টিকিট। ৫০ শতাংশ টিকিট বিক্রি হবে 'রেলসেবা' নামের অ্যাপের মাধ্যমে। বাকি টিকিট বিক্রি হবে কাউন্টার থেকে। প্রতিদিন ঢাকায় প্রায় ২৭ হাজার টিকিট দেওয়া হবে।
পশ্চিমাঞ্চল অর্থাৎ রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগের জেলাগুলোর ট্রেনের টিকিট বিক্রি করা হবে কমলাপুর থেকে। বিমানবন্দর স্টেশনে পাওয়া যাবে চট্টগ্রাম ও নোয়াখালীগামী ট্রেনের টিকিট। তেজগাঁও থেকে বিক্রি করা হবে ময়মনসিংহ ও জামালপুর ট্রেনের টিকিট। বনানী থেকে দেওয়া হবে নেত্রকোনা ও মোহনগঞ্জগামী ট্রেনের টিকিট। সিলেট ও কিশোরগঞ্জগামী ট্রেনের টিকিট দেওয়া হবে ফুলবাড়িয়ার পুরনো রেল ভবন থেকে।
বৃহস্পতিবার বিক্রি করা হবে ১ জুনের টিকিট। ২৪ মে দেওয়া হবে ২ জুনের টিকিট। ২৫ মে বিক্রি হবে ৩ জুনের টিকিট। ২৬ মে দেওয়া হবে ৪ জুনের টিকিট।