সম্প্রতি উত্তরবঙ্গ সফরকালে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলের স্থানীয় অর্থনীতিবিদ, বিজনেস লিডার, শিল্পোদ্যোক্তা এবং বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সঙ্গে আলাপ করার সুযোগ হয়। ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় রাজশাহী অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সম্ভাবনা ও সমস্যা সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি। এ সময় তারা বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার বিষয়টি তুলে ধরেন।
একই সঙ্গে রাজশাহী অঞ্চল শিল্পায়নের দিক থেকে দেশের অন্য এলাকার চেয়ে পিছিয়ে থাকার বিষয়ে তারা হতাশা ব্যক্ত করেন। তাদের বক্তব্যে একটি বিষয় অত্যন্ত পরিষ্কার- দলমত নির্বিশেষে আন্তরিকভাবেই রাজশাহী অঞ্চলের শিল্পায়ন তথা অর্থনৈতিক উন্নয়ন তারা কামনা করেন। কিন্তু এতদিন স্থানীয় পর্যায়ে সঠিক নেতৃত্ব না থাকার কারণে ঈপ্সিত মাত্রায় অর্থনৈতিক উন্নয়ন হয়নি। বিশেষ করে ইতিপূর্বে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র বিরোধী রাজনৈতিক দল থেকে নির্বাচিত হওয়ার কারণে এলাকাটি কিছুটা হলেও রাজনৈতিক বৈষম্যের শিকার হয়েছে বলে অনেকেই অভিযোগ করেছেন।
বর্তমানে সরকারদলীয় মেয়র দায়িত্বে থাকার কারণে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এলাকায় উন্নয়নের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যে বেশ কিছু উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। এগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে রাজশাহী দেশের অন্য অঞ্চলের মতোই উন্নয়নের মহাসড়কে সংযুক্ত হতে পারবে।
বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলে উন্নয়নের চমৎকার সুযোগ রয়েছে। প্রয়োজন শুধু পরিকল্পিতভাবে টেকসই উন্নয়ন কার্যক্রম হাতে নেয়া এবং সঠিকভাবে তা বাস্তবায়ন করা। এমনটিই মনে করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবীণ একজন অধ্যাপক, যিনি এই এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিয়ে বিশেষভাবে ভাবছেন। তিনি আরও বলেন, রাজশাহী এলাকা ভৌগোলিক কারণে অত্যন্ত সম্ভাবনাময় একটি জনপদ।
এখানকার মানুষ কঠোর পরিশ্রম করতে জানে। তারা উদ্ভাবনী শক্তির অধিকারী কিন্তু তাদের সেই যোগ্যতাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানোর কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এই প্রবীণ অধ্যাপকসহ এলাকার বিজনেস লিডারদের অনেকেই মনে করেন, শিল্পায়নের দিক থেকে রাজশাহী এলাকা দেশের অন্য অঞ্চলের চেয়ে পিছিয়ে আছে। এর প্রধান কারণ হচ্ছে, এই এলাকার অধিকাংশ মানুষই স্বল্পবিত্ত এবং মধ্যবিত্ত শ্রেণির। তারা চাইলেই ব্যক্তিগত অর্থ দিয়ে শিল্পের প্রয়োজনীয় পুঁজির জোগান দিতে পারেন না।
বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের উদ্যোক্তাদের পুঁজির চাহিদা মেটানোর জন্য ব্যাংক ঋণের কোনো বিকল্প নেই। রাজশাহী এলাকার উদ্যোক্তাদের জন্য শিল্প পুঁজিস্বল্পতার বিষয়টি আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তারা উদ্ভাবনী শক্তির অধিকারী; কিন্তু প্রয়োজনীয় পুঁজিস্বল্পতার কারণে চাইলেই বড় ধরনের কোনো শিল্পোদ্যোগ গ্রহণ করতে পারছেন না। তারা মনে করছেন, দেশের ট্রাডিশনাল ব্যাংকগুলো ঋণদানের ক্ষেত্রে রাজশাহী অঞ্চলের উদ্যোক্তাদের প্রতি সঠিক আচরণ করতে পারছে না। ব্যাংকগুলো প্রধানত ঢাকা এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের উদ্যোক্তাদের ঋণ সরবরাহের ক্ষেত্রে বেশি আগ্রহী। ফলে ব্যাংক ঋণ প্রাপ্তি তথা সামগ্রিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে এক ধরনের বৈষম্য সৃষ্টি হচ্ছে।
উল্লেখ্য, আমরা যদি সার্বিকভাবে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন চাই, তাহলে প্রতিটি অঞ্চলের উদ্যোক্তাদের প্রতি যৌক্তিক এবং সমআচরণ করতে হবে। অন্যথায় দেশের কোনো কোনো অঞ্চল অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাবে; আর কোনো কোনো অঞ্চল অর্থনৈতিক দিক থেকে পিছিয়ে পড়বে, যা কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না। সারা দেহের রক্ত মুখে এসে জড়ো হলে তাকে যেমন সুস্বাস্থ্য বলা যায় না; তেমনই দেশের নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটিয়ে অন্য অঞ্চলের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন করাকে সঠিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষণ বলা যাবে না। ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় এটা অনুধাবন করা যায়, রাজশাহী অঞ্চলে ব্যবসায়রত ব্যাংকগুলোর শাখা থেকে যে পরিমাণ ঋণপ্রদান করা হয়, তা মোটেই পর্যাপ্ত নয়। ফলে উদ্যোক্তারা তাদের ব্যবসায় বা শিল্পপ্রতিষ্ঠান ঠিকমতো চালাতে পারছেন না।
রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির একজন কর্মকর্তা অভিযোগ করে বলছেন, রাজশাহী এলাকায় যেসব ব্যাংকের শাখা ব্যবসায়রত রয়েছে, তারা এই এলাকার উদ্যোক্তাদের ঋণদানের ক্ষেত্রে খুব একটা আগ্রহী নয়। এছাড়া ঋণ প্রদান করা হলেও তার পরিমাণ চাহিদার তুলনায় খুবই কম। যেমন কোনো উদ্যোক্তা হয়তো ১০ কোটি টাকা ঋণের জন্য আবেদন করলেন। কিন্তু যাচাই-বাছাই করে ব্যাংক ৫ কোটি টাকা ঋণ মঞ্জুর করল। এই স্বল্পঋণের কারণে তাদের পক্ষে শিল্প-কারখানা নির্ধারিত সময়ে চালু করা সম্ভব হয় না। অনেক ক্ষেত্রে এমনও দেখা গেছে, অর্থাভাব বা পুঁজিস্বল্পতার কারণে উদ্যোক্তা তার প্রতিষ্ঠান চালু করতে পারেননি; কিন্তু নির্ধারিত সময়ান্তে ব্যাংক তার ঋণের কিস্তি আদায়ের জন্য উদ্যোক্তার ওপর চাপ দিচ্ছে। এই অবস্থায় সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তাকে ঋণখেলাপি হতে হয়। এভাবে রাজশাহী এলাকায় খেলাপি ঋণের পরিমাণ দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে।
একজন স্থানীয় অর্থনীতিবিদ অভিযোগ করেন, রাজশাহী এলাকায় নারী উদ্যোক্তাদের জন্য যে ব্যাংক ঋণ দেয়া হচ্ছে, প্রায় ক্ষেত্রেই তার অপব্যবহার হচ্ছে। নারী উদ্যোক্তাদের নামে ব্যাংক ঋণ মঞ্জুর করিয়ে সেই ঋণের টাকা তার স্বামী বা ভাই অন্য কাজে ব্যবহার করছে। এতে নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং নারীর ক্ষমতায়নের যে প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে, তা বিরাট চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন সিডিউল ব্যাংকের মাধ্যমে কৃষি ও পল্লীঋণ নামে যে বিশেষ ঋণদান কার্যক্রম পরিচালনা করছে, তার যৌক্তিকতা নিয়েও কেউ কেউ প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন। তারা বলেন, কৃষি ও পল্লীঋণ একটি বিশেষ ঋণদান কার্যক্রম। এটা সাধারণ কৃষিঋণ নয়। এর উদ্দেশ্য হচ্ছে, পল্লী এলাকায় কৃষিভিত্তিক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা গড়ে তোলা। এটা অত্যন্ত সময়োপযোগী এবং কার্যকর ঋণদান কার্যক্রম। কিন্তু পদ্ধতিগত কারণে এই ঋণদান কার্যক্রম সঠিকভাবে কাজ করতে পারছে না। বিশেষ করে যারা এই ঋণের টার্গেট গ্রুপ, তারা প্রতারিত হচ্ছেন।
উল্লেখ্য, কৃষি ও পল্লীঋণের সুদের হার প্রচলিত ব্যাংক ঋণগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কম। এই ঋণের জন্য ৯ শতাংশ সুদারোপ করা হয়। কিন্তু এই সুদ নির্ধারণের ক্ষেত্রে জটিলতা রয়েছে। ব্যাংকগুলো যদি সরাসরি কৃষক এবং গ্রামীণ কৃষিভিত্তিক শিল্পোদ্যোক্তাদের ঋণ প্রদান করে, তাহলে ৯ শতাংশ সুদ চার্জ করা হয়। কিন্তু ব্যাংক যদি এনজিওগুলোর মাধ্যমে ঋণ প্রদান করে, তাহলে এনজিওর কাছ থেকে ৯ শতাংশ সুদ চার্জ করে। এনজিওগুলো কৃষক বা গ্রামীণ উদ্যোক্তাদের ঋণদানের ক্ষেত্রে এমআরএ (মাইক্রো ক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি) নির্ধারিত সুদ হার প্রয়োগ করতে পারে। এমআরএ নির্ধারিত সুদহার হচ্ছে ২৭ শতাংশ। ব্যাংকগুলোর প্রচলিত আর কোনো ঋণের ক্ষেত্রে এত উচ্চ সুদহার প্রযোজ্য নেই।
কৃষি ও পল্লী ঋণদানের ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোকে বেশ কিছু শর্ত পরিপালন করতে হয়। প্রতি বছর বাংলাদেশ ব্যাংক সিডিউল ব্যাংকগুলোকে কৃষি ও পল্লীঋণ প্রদানের টার্গেট নির্ধারণ করে দেয়। কোনো ব্যাংক এই টার্গেট মোতাবেক ঋণদান করতে ব্যর্থ হলে টার্গেটকৃত অবাস্তবায়িত অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকে নিয়ে ব্লক অ্যাকাউন্টে রাখা হয়। পরবর্তী বছরে সেই ব্যাংকের নতুন শাখা খোলা এবং লভ্যাংশ প্রদানের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়।
এ কারণে ব্যাংকগুলো চেষ্টা করে কীভাবে টার্গেট পূরণ করা যায়। তারা এনজিওগুলোর মাধ্যমে ঋণদান করে টার্গেট পূরণের চেষ্টা করে। এতে ব্যাংকগুলো লাভবান হচ্ছে। তারা বেশি পরিশ্রম না করেই টার্গেটকৃত ঋণদান করতে পারছে। এনজিওগুলো স্বল্পসুদে ঋণ নিয়ে কৃষক ও পল্লী উদ্যোক্তাদের উচ্চ সুদে ঋণ দিয়ে অধিক মুনাফা অর্জন করতে পারছে। কৃষি ও পল্লীঋণ এনজিওগুলোর মাধ্যমে প্রদান করা হলে স্প্রেডের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৮ শতাংশ, যা প্রচলিত যে কোনো ঋণদান কার্যক্রমের চেয়ে বেশি।
অথচ যদি এমন নিয়ম করা হতো, ব্যাংকগুলো সরাসরি কৃষক ও পল্লী উদ্যোক্তাদের ঋণ দান করবে, তাহলে তারা ঋণগ্রহীতার কাছ থেকে ৯ শতাংশ সুদ আদায় করবে। কিন্তু তারা যদি এনজিওর মাধ্যমে ঋণ দান করে, তাহলে ব্যাংক রেটের (৫ শতাংশ) ওপর এক শতাংশ সার্ভিস চার্জসহ ৬ শতাংশ সুদারোপ করবে। আর এনজিওগুলো কৃষক ও পল্লী উদ্যোক্তাদের প্রদত্ত ঋণের ওপর ৯ শতাংশ সুদারোপ করবে। অর্থাৎ যেভাবেই ঋণ প্রদান করা হোক না কেন, টার্গেট গ্রুপ অর্থাৎ কৃষক ৯ শতাংশ সুদে ঋণ পাবে। এটা করা হলে দেশের পল্লী এলাকার কৃষিনির্ভর উদ্যোক্তারা লাভবান হতেন। একজন উদ্যোক্তা বললেন, ঢাকা-গাজীপুর অঞ্চলের তৈরি পোশাকশিল্পে রাজশাহী এলাকার শ্রমিকরা দক্ষতার সঙ্গে কাজ করছে। কিন্তু রাজশাহী এলাকায় তৈরি পোশাকশিল্প বিকশিত হচ্ছে না। উদ্যোগ নিলে এখানে তৈরি পোশাকশিল্প বিকশিত হতে পারে।
রাজশাহী এলাকায় শিল্পায়ন তথা অর্থনৈতিক উন্নয়নের চমৎকার সুযোগ থাকলেও তাকে পরিকল্পিতভাবে কাজে লাগানো হচ্ছে না। রাজশাহী এলাকায় শিল্পায়নের সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে, এখানে প্রচুর পরিমাণ জমি রয়েছে। এসব জমি শিল্প স্থাপনের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। রাজশাহী চেম্বারের একজন কর্মকর্তা বললেন, এই এলাকায় দেশের যে কোনো অঞ্চলের চেয়ে তুলনামূলক স্বল্পমূল্যে জমি পাওয়া যেতে পারে। বাংলাদেশে শিল্প স্থাপনে জমির স্বল্পতা একটি বড় প্রতিবন্ধকতা। রাজশাহীতে এই সমস্যা নেই বললেই চলে। রাজশাহী এলাকায় শিল্পায়নের ক্ষেত্রে যেসব সমস্যা রয়েছে, তা খুব সহজেই সম্ভাবনায় পরিণত করা যেতে পারে। রাজশাহী থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে, এমনকি বিদেশে পণ্য রফতানি করা খুবই সহজ। এখান থেকে ছোট সোনামসজিদ স্থলবন্দর ব্যবহার করে ভারতে পণ্য রফতানি করা যেতে পারে। মংলা সমুদ্রবন্দরও তুলনামূলক স্বল্প দূরত্বে অবস্থিত। বঙ্গবন্ধু সেতু নির্মিত হওয়ার ফলে দিনে দিনে যে কোনো পণ্য রাজধানীতে প্রেরণ করা যেতে পারে।
বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার আরও উন্নয়ন ঘটাতে হবে। রাজশাহীতে নৌপথ উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে। বিমানবন্দরকে আধুনিকায়ন করে আরও সম্প্রসারিত করা যেতে পারে। রাজশাহীতে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। একটি অত্যাধুনিক চামড়া শিল্পনগরী স্থাপনের কাজ চলছে। রাজশাহী আমের জন্য বিখ্যাত। বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি এবং উন্নতমানের আম রাজশাহীতে উৎপাদিত হয়। কিন্তু শুধু ফ্রেশ ম্যাংগো উৎপাদন ও বিপণন করে কখনই এই কৃষিপণ্যের সম্ভাবনাকে পুরোপুরি ব্যবহার করা যাবে না। এজন্য আম প্রক্রিয়াজাত কারখানা স্থাপন করতে হবে। এক কেজি ফ্রেশ আম বিক্রি করে হয়তো ১০০ টাকা পাওয়া যেতে পারে। কিন্তু এক কেজি আম দিয়ে ম্যাংগো বার তৈরি করা হলে এক হাজার টাকা বিক্রি করা সম্ভব। এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে। রাজশাহীতে আমভিত্তিক একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন করা যেতে পারে।
রাজশাহীর ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তাদের সঙ্গে আলাপ করে মনে হয়েছে, তারা এলাকার উন্নয়নের ব্যাপারে আশাবাদী। এখন প্রয়োজন শুধু বিভিন্নভাবে উন্নয়নের সম্ভাবনাগুলোকে কাজে লাগানো। রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বেশ কিছু সুপারিশ প্রদান করা হয়েছে। এগুলো বাস্তবায়িত হলে রাজশাহী এলাকার অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। এম এ খালেক : অর্থনীতিবিষয়ক কলাম লেখক