চলতি মাসের শেষনাগাদ তেলের উৎপাদন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে বলে জানিয়েছে সৌদি আরব। মঙ্গলবার সৌদি আরবের জ্বালানিমন্ত্রী প্রিন্স আবদুল আজিজ বিন সালমান এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন। তার এ বক্তব্যের পরই আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে অস্থিরতা কমে আসে।
খবর বিবিসি। সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থা আরামকোর আবকায়িক ও খুরাইস স্থাপনায় শনিবার ড্রোন হামলা হয়। হামলার পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম হু হু করে বেড়ে যায়। গত সোমবার বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ে। তবে মঙ্গলবার দাম কিছুটা কমে। এদিন তেলের দাম ৭ শতাংশ কমে। বুধবারও দিনের শুরুতে দাম নিম্নমুখী ছিল।
হামলার পর সৌদির জ্বালানি মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, আরামকোর উৎপাদন আংশিকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে দেশটির তেল উৎপাদন অর্ধেকের বেশি কমে যায়। আরামকো এক বিবৃতিতে জানায়, হামলার কারণে সৌদি আরবের তেল উৎপাদনের পরিমাণ সাময়িক সময়ের জন্য দিনে ৫৭ লাখ ব্যারেল কমে গেছে, যা বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহের প্রায় ৫ শতাংশ।
গত সোমবার বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ে ২০ শতাংশ, যা গত ৩০ বছরের মধ্যে এক দিনে সর্বোচ্চ দাম বৃদ্ধি। মঙ্গলবার সৌদি আরবের জ্বালানিমন্ত্রী এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, সেপ্টেম্বরের শেষনাগাদ তেলের উৎপাদন স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে। সৌদির জ্বালানিমন্ত্রী রাষ্ট্রমালিকানাধীন তেল সংস্থা আরামকোকে ফিনিক্স পাখির সঙ্গে তুলনা করেন। তিনি বলেন, হামলার পর আরামকো ছাই থেকে ফিনিক্সের মতো জেগে উঠেছে। সৌদির এক কর্মকর্তা জানান, শেয়ারবাজারে আরামকোকে তালিকাভুক্ত করার পরিকল্পনাটি বহাল রয়েছে। মঙ্গলবার বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ৭ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৬৪ দশমিক ৬ ডলার হয়।
সানবিডি/ঢাক/এসএস