
সব খাতেই এখন দ্রুত ডিজিটাল রূপান্তর ঘটছে বলে উল্লেখ করেছেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।তিনি বলেন, অল্প সময়েই আমরা সবগুলো খাতে ডিজিটাল রূপান্তর ঘটাতে সক্ষম হয়েছি।
ইলেক্ট্রিসিটি থেকে শিক্ষা, শিক্ষা থেকে স্বাস্থ্য, স্বাস্থ্য থেকে তথ্যপ্রযুক্তি, সব খাতেই খুব দ্রুত রূপান্তর ঘটেছে। শুধু রূপান্তরই ঘটেনি, বরং এর পাশাপাশি বড় ধরনের পরিবর্তনও ঘটেছে।শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে দিনব্যাপী বাংলাদেশ ডিজিটাল সামিট ২০১৯ আয়োজনের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
পলক বলেন, আপনাদের হয়তো মনে থাকবে ২০০৯ সালের আগে পর্যন্ত বাংলাদেশের কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠাতে ডিজিটাল ল্যাব ছিল না। অথচ তার মাত্র চার বছর পরেই দেশে দুই হাজার ৫০০ শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তুলতেই এটা করা হয়েছে।ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে চারটি পিলার চিহ্নিত করে সেগুলো উন্নয়নে কাজ করা হয়েছে। যার ফলে ছোটবেলা থেকেই এখন শিক্ষার্থীরা তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারছেন বলে জানান তিনি।
পলক বলেন, আমরা শিশুদের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তির আগ্রহ তৈরি করতে প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা শুরু করেছি। তাদের সঠিকভাবে দিক নির্দেশনা দিয়ে এগিয়ে নিচ্ছি ভবিষ্যৎ পৃথিবীর জন্য প্রস্তুত করতে।
এছাড়াও তরুণদের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ থেকে নানা ধরনের প্রশিক্ষণ দিয়ে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে বলে জানান তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী।জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, আমরা এখন পণ্যের উৎপাদন বাড়াতে এবং সেটা কতটা কম খরচে করা যায় সেটা নিয়ে কাজ করছি।
সে জন্য প্রতিটি খাতে ব্যবহার করা হচ্ছে প্রযুক্তির সর্বশেষ সব উদ্ভাবন।বাংলাদেশ ডিজিটাল সামিট ২০১৯ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, আইইবির চেয়ারম্যান আবদুস সবুর, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক সাজ্জাদ হোসেনসহ আরও অনেকেই।সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ডিজিটাল সামিটের আহ্বায়ক ও এশিয়ান নেটওয়ার্ক অব ইয়ুথ ভলেন্টিয়ার্সের সভাপতি অধ্যাপক মো. রশীদুল হাসান।দিনব্যাপী সম্মেলনের বিভিন্ন সেশন থেকে প্রাপ্ত বিভিন্ন সুপারিশ ডিজিটাল বাংলাদেশের চতুর্থ শিল্পবিপ্লবে অংশ নিতে প্রস্তাব করা হবে।দিনব্যাপী সামিটটি যৌথভাবে আয়োজন করে এশিয়ান নেটওয়ার্ক অব সাউথ ভলান্টিয়ার্স সোসাইটি (এএনওয়াভি), দ্য চায়না ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজি গ্রুপ কর্পোরেশন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ।
সানবিডি/ঢাকা/এসএস