বৈশ্বিক বাণিজ্যিক ধরন পরিবর্তনের কারণসহ বিভিন্ন কারণে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানগুলোকে নতুন নতুন অনেক ঝুঁকির সম্মুখীন হতে হচ্ছে । প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল উপযুক্ত ঝুঁকিগুলোকে সুষ্ঠুভাবে মোকাবেলা করার জন্য সক্ষম হয়েছে এবং সামনের দিনগুলোতে এর ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল লিমিটেডের চেয়ারম্যান আনিতা হক।
সোমবার কোম্পানিটির ১৩তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এ আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এসময় আনিতা হক বলেন, ক্রেতাদের সন্তুষ্টি এবং নতুন ক্রেতাদের আকৃষ্ট করার জন্য নতুন প্রোডাক্ট তৈরি করতে যাচ্ছে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল লিমিটেড। বিগত বছরগুলোতে বি আর এম এবং বিদ্যুৎ প্রকল্পে ইতিমধ্যে আর্থিক বিবরণীতে যোগ করা হয়েছে যা আপনাদের শেয়ারের দর বৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে আমি মনে করি। ২০১৯ অর্থবছরে কোম্পানির বিক্রির পরিমাণ ৫৬৭ কোটি টাকা এবং কর পরবর্তী মুনাফা অর্জন করেছে ৪১ কোটি টাকা। বিগত বছরের তুলনায় যা ৩৭ শতাংশ এবং ৪৮ শতাংশ বেশি। সামনের দিনগুলোতে কোম্পানির প্রোডাকশন বৃদ্ধির পাশাপাশি আয়ও বৃদ্ধি পাবে বলে আমি আশা করছি। একটি প্রতিশ্রুতিশীল প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইতিমধ্যে সরকার কর্তৃক জারীকৃত শ্রমিকদের ন্যায্য বেতন আদায় বাস্তবায়ন করেছি। প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল লিমিটেড ২০২০ সালের ভিতর প্রতিদিন ১ লক্ষ গজ কাপড় উৎপাদন করার টার্গেট নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে।
কোম্পানির কর্মকর্তা কর্মচারীরা তাদের দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম হয়েছে বলে জানান টেক্সটাইল লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সাখাওয়াত হোসেন।
এজন্য তিনি কোম্পানির মার্কেটিং ও প্রোডাকশন টিম সহ সকল কর্মীদের ধন্যবাদ দিয়ে বলেন, প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল লিমিটেড বাংলাদেশর মার্কেটে যতগুলো কোম্পানি আছে তার থেকে একটু ভিন্ন মাত্রায় তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে। আমরা প্রিমিয়ার মার্কেটে কাজ করি। আপনারা জানলে খুশি হবেন পৃথিবীর প্রায় ৪৬ টি দেশের নামিদামি ৯৫ শতাংশ ব্রান্ডের সাথে প্যারামাউন্ট টেক্সটাইল লিমিটেড কাজ করে যাচ্ছে। যার ফলশ্রুতিতে আমরা একটা স্পেশাল ক্যাটাগরিতে আছি।
তিনি আরও বলেন এখন কিন্তু ওয়ার্ল্ডে একটা ক্রাইসিস চলছে। সে অবস্থায় আমরা উপরের দিকে যাচ্ছি। এটা কিন্তু অনেক বড় ব্যাপার। আমাদের বর্তমানে এক্সপোর্ট এর মাত্রা ৮০ মিলিয়ন রয়েছে। আমরা এটাকে হান্ড্রেড মিলিয়ন এ পৌঁছানোর লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। আমরা এখন লোকাল ব্যাংক থেকে লোন না নিয়ে কম ইন্টারেস্টে ফরেন ব্যাংক থেকে লোন নিচ্ছি। লোকাল ব্যাংক যেখানে ১২ শতাংশ ইন্টারেস্ট। সেখানে আমরা ৪.৫ শতাংশে ফরেন ব্যাংক থেকে লোন নিতে পারবো। ফরেন ব্যাংক থেকে লোন নিতে হলে তারা কোম্পানির বিভিন্ন দিক লক্ষ করে। সেক্ষেত্রে আমরা এ+ ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত হয়েছি।
এজিএম অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন কোম্পানির পরিচালক অলোক কুমার দাস , আনিতা দাস, মনোনিত পরিচালক এ এইচ এমন হাবিবুর রহমান, এইচ এমন আব্দুর রহমান নমিনেটেড ডিরেক্টর প্রমুখ।
সানবিডি/এসকেএস/এসআই