বগুড়ার ধুনট উপজেলার কান্তনগর-বিলচাপড়ি পাকা সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার করা হয় না। পুরো সড়কটির কার্পেটিং উঠে গিয়ে দেখা দিয়েছে গর্ত ও ভাঙন। বেরিয়ে পড়েছে সড়কের ইট-খোয়া। সেই ইট-খোয়ার ধুলায় সড়কের পাশে বাড়িঘর বসবাস অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ সড়কটিতে বিপজ্জনকভাবে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কালেরপাড়া ইউনিয়নের কান্তনগর বাজার থেকে এলাঙ্গী ইউনিয়নের বিলচাপড়ি গ্রামের বাঙ্গালী নদী পর্যন্ত প্রায় চার কিলোমিটার পাকা সড়ক রয়েছে। গত ২০০৭ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অর্থায়নে দরপত্র আহ্বানের মাধ্যমে সড়কটি পাকাকরণের কাজ করা হয়েছে। এরপর দীর্ঘদিন ধরে ওই সড়কের আর কোনো সংস্কার করা হয়নি।
ফলে ভারি যানবাহন ও মৌসুমি বৃষ্টিপাতের কারণে পুরো পাকা সড়কজুড়ে ইট-খোয়া ও কার্পেটিং উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্তের। পাকা সড়কটি ধুলোয় পরিণত হয়েছে। এর মধ্যে রামনগর গ্রামের আব্দুর রহিমের পুকুরের পাশে সড়কের দুই পাশ থেকে ভেঙে সরু হয়ে গেছে। এতে করে ওই সড়কে যানবাহন চলাচল প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। চালকেরা স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় ভাঙা স্থানে 'বাঁশের প্যালা সাইটিং' দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন পারাপার করছে।
স্থানীয় হাঁসখালি গ্রামের কামরুল হাসান বলেন, কান্তনগর-বিলচাপড়ি সড়কটি নির্মাণের পর আর কোনো সংস্কার কাজ করা হয়নি। ফলে সড়কের কার্পেটিং উঠে বেহাল। অন্য কোনো বিকল্প সড়ক না থাকায় এই সড়ক দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন ও মানুষ পায়ে হেঁটে চলাচল করছে। ভাঙা সড়কের যানবাহনের ধুলায় বাড়ি-ঘরে থাকাই দায় হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) ধুনট উপজেলা প্রকৌশলী জহুরুল ইসলাম বলেন, কান্তনগর-বিলচাপড়ি সড়ক নতুন করে পাকাকরণের জন্য দরপত্র আহ্বান করে ঠিকাদারকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছে। ঠিকাদারকে দ্রুত সড়কের কাজটি শুরু করতে বলা হয়েছে।
সানবিডি/ঢাকা/এসএস