দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর অবশেষে ভাঙা শুরু হয়েছে তৈরি পোশাক কারখানা মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র ভবন। শ্রমিকরা হেমার ও হাতুড়ি দিয়ে ভবনটির ছাদ ভাঙতে শুরু করেছেন। সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে ভবনের কাচ। সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিদ্যুৎ সংযোগ পাওয়ার পর পুরোদমে কাজ শুরু হবে বলে জানা গেছে। এর আগে বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ না পাওয়ায় কয়েক দফায় ভবন ভাঙার কাজ পিছিয়ে যায়।
ভবন ভাঙার কাজ পাওয়া ফোর স্টার এন্টারপ্রাইজের পরিচালক নছিরুল্লাহ সোমবার এই তথ্য জানান।
এসময় তিনি বলেন, ‘আমরা ভবনের কাচ সতর্কতার সঙ্গে খুলে নিচ্ছি। পাশাপাশি ছাদ থেকে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে শ্রমিকরা ভাঙার কাজ শুরু করছে। আজকে বিদ্যুৎ সংযোগ পাবো। এরপর পুরোদমে কাজ শুরু করবো।’
প্রসঙ্গত, গত বছরের ১২ এপ্রিলের মধ্যে বিজিএমইএ ভবনটি সরিয়ে নিতে সময় দিয়েছিলেন সর্বোচ্চ আদালত। সময় পার হওয়ার পর নির্দেশনা বাস্তবায়নে গত বছরের ১৬ এপ্রিল সন্ধ্যায় ভবনটিতে তালা ঝুলিয়ে দেয় রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। এর আগে ২০ জানুয়ারি গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম উপস্থিত থেকে বিজিএমইএ ভবন ভাঙার কাজ শুরু করেন।
২০১১ সালের ৩ এপ্রিল হাইকোর্ট এক রায়ে বিজিএমইএ ভবনটিকে ‘হাতিরঝিল প্রকল্পে একটি ক্যানসারের মতো’ উল্লেখ করেন। রায় প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে ভবনটি ভেঙে ফেলতে নির্দেশ দেন আদালত। এর বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করে বিজিএমইএ, যা ২০১৬ সালের ২ জুন আপিল বিভাগে খারিজ হয়।
সানবিডি/এনজে