আপিল বিভাগে গ্রামীণফোনের ভাগ্য নির্ধারণ বৃহস্পতিবার

সান বিডি ডেস্ক প্রকাশ: ২০২০-০২-১৯ ১৪:৪৫:৩২


গ্রামীণফোনের অডিট আপত্তির বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্তের আগে দুই হাজার কোটি টাকা জমা দেওয়ার বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদনের শুনানি বৃহস্পতিবার।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) অডিটের প্রেক্ষিতে কমিশনকে ২৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে দুই হাজার কোটি টাকা দেওয়ার নির্দেশনা দেয় আপিল বিভাগ।রিভিউ আবেদনে যদিও অপারেটরটি ৫৭৫ কোটি টাকা দেওয়ার প্রস্তাব করে, যা তারা এক বছরে সমান ১২ কিস্তিতে পরিশোধ করতে চায়।নানান বিষয়ে ওই দিন আসলে গ্রামীণফোনের ভাগ্য নির্ধারিত হবে।

বিটিআরসি ও গ্রামীণফোনের আইনজীবিরা বলছেন, বৃহস্পতিবার আপিল বিভাগের পূর্ণ বেঞ্চে শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।সিদ্ধান্ত পুনঃবিবেচিত না হলে সেক্ষেত্রে ২৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে গ্রামীণফোনকে দুই হাজার কোটি টাকা পরিশোধ করতে হবে।

বিটিআরসির অডিটে গ্রামীণফোনের কাছে মোট ১২ হাজার ৫৮৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা পাওনা হিসেবে দাবি করে।এর মধ্যে বিটিআরসির অংশ ৮ হাজার ৪৯৪ কোটি আর এনবিআরের অংশ ৪ হাজার ৮৬ কোটি টাকা।বিটিআরসির পাওনা দাবি করা আট হাজার ৪৯৪ কোটির টাকার মধ্যে মূল টাকা হলো দুই হাজার ২৯৯ কোটি টাকা। বাকি ছয় হাজার ১৯৪ কোটি টাকা বিলম্ব ফি, যেটি মূল টাকার ওপর চক্রবৃদ্ধি হারে হিসাব করা হয়েছে।

গত ২৬ জানুয়ারি বিটিআরসি আপিল বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ পিটিশান দাখিল করে। সেখানে বিটিআরসি’র দাবিকৃত মূল টাকার ২৫ শতাংশ হিসেবে ৫৭৫ কোটি টাকা জমা দেয়ার আবেদন করে।

রিভিউ পিটিশন দাখিল করার দিনে বিষয়টি সম্পর্কে গ্রামীণফোনের হেড অব রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স হোসেন সাদাত  জানান, উচ্চ আদালতে যে নির্দেশনা রয়েছে সেখানে দুই হাজার কোটি টাকা দেয়ার বিষয়টি তাদের কাছে অনেক বেশি মনে হয়েছে, যা মূল পাওনা দাবির ৮৭ শতাংশ। সে কারণেই বিষয়টি পুনঃবিবেচনার জন্য আবেদন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

গত বছরের ২৪ নভেম্বরের আপিল বিভাগ গ্রামীণফোনকে দুই হাজার কোটি টাকা জমা দেওয়ার নির্দেশনা দিলেও অপারেটরটি এর সার্টিফাইড কপি পায় ২৯ ডিসেম্বর। নিয়ামানুযায়ী এক মাসের মধ্যে রিভিউ আপিল দাখিল করে অপারেটরটি।

এর আগে পাওনা দাবি আদায়ে গত বছরের ২২ জুলাই অপারেটরটিকে সব রকমের অনুমোদন দেওয়া বন্ধ করে দেয় বিটিআরসি, যেটি এখনো বিদ্যমান আছে। সুত্র-টেকশহর.কম