চাল-ডাল-চিনির দাম কেজিতে বেড়েছে ১০ টাকা

সান বিডি ডেস্ক আপডেট: ২০২০-০২-২৪ ১৪:০৯:২৫


চীনা করোনাভাইরাসের প্রভাব যেন নীলফামারীর বাজারে এসে পৌঁছেছে। দাম বেড়েছে সবধরনের ভোগ্যপণ্যের। রাতারাতি বেড়েছে কয়েলের দাম। প্যাকেটের গায়ে লেখা কোম্পানির মূল্য ছাপিয়ে অতিরিক্ত দামে বিক্রি হচ্ছে মশার কয়েল। ৬৫ টাকার বোমা কয়েল বিক্রি হচ্ছে ৭২ থেকে ৭৫ টাকায়। প্যাকেট জাত বিভিন্ন কোম্পানির চিনির দামও বেড়েছে ১০ থেকে ১২ টাকা। ৬৫ টাকা কেজি দরের প্যাকেট চিনি বিক্রি হচ্ছে ৭৫ টাকায়। ওদিকে খোলা বাজারেও বেড়েছে চিনির দাম।

স্বল্প সময়ের ভেতর খোলা চিনি দাম বেড়ে ৭০ থেকে ৭৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে । দাম বেড়েছে ভোজ্য তেলেরও। প্রকার ভেদে বোতলজাত তেলের দাম কেজিতে বেড়েছে ৪ থেকে ৫ টাকা। কেজিতে ১০ টাকা দাম বেড়েছে মসুর ডাল থেকে শুরু করে সব ধরনের ডালের। চালের বাজারও অস্থির। প্রকার ভেদে মোটা চাল কেজিতে বেড়েছে ৫ থেকে ৭ টাকা। তবে এতকিছুর মধ্যে স্বস্তির খবর পিয়াজ-রসুনের বাজারে। দেশী পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৮৫ টাকা কেজি দরে। রসুনের দামও কমে ১১০ থেকে ১২০ টাকা এসেছে কেজিতে। স্থানীয় ভোক্তাদের অভিযোগ বাজারে মনিটরিংয়ের অভাবেই অসাধু ব্যাবসায়ীরা ইচ্ছে মতো কয়েল, চিনি, তেল থেকে শুরু করে সব ভোগ্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রন করছে। স্থানীয় ডিলারদের আড়তে পর্যাপ্ত মজুদ থাকার পরেও চাল, ডাল, চিনি, তেল ও কয়েলের দাম বৃদ্ধি ভোক্তা সাধারণকে চিন্তায় ফেলেছে।

সানবিডি/এনজে