দেশের অর্থনীতিতে ভয়াবহ আঘাত হেনেছে করোনাভাইরাস।যার কারণে কর্মহীন হয়ে পড়েছে হাজার হাজার শ্রমজীবী মানুষ। এদের মধ্যে গরিব শ্রমজীবীরা বিভিন্নভাবে ত্রাণ পেলেও পাচ্ছেন না মধ্যবিত্তরা। কারণ তারা কারও কাছে চাইতে পারেন না। তবে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুনতাসির জাহান সেসব মধ্যবিত্তদের ঘরে পৌঁছে দিচ্ছেন ‘মমতার পরশ’।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মমতার পরশে রয়েছে প্যাকেট ভর্তি চাল, ডাল, আলু, তেল ও লবণসহ খাদ্য সামগ্রী। এতে সাবানও রয়েছে। আর প্যাকেটটির মলাটে সাদা কাগজে লেখা আছে ‘মমতার পরশ’, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, রামগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর।
ইতিমধ্যে অসহায়দের প্রতি ইউএনওর কর্তব্যপরায়ণ এই কাজ বেশ প্রশংসিত হয়েছে। তিনি উপজেলার গরিব-দুঃখীর সেবক হিসেবেও প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
রোববার সন্ধ্যা থেকে খাবার প্যাকেটগুলো সর্বাধিক গোপনীয়তার সঙ্গে প্রতিটি ইউনিয়নের শিক্ষক প্রতিনিধির মাধ্যমে ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়া হয়েছে। অন্যদের অগোচরে রাতের অন্ধকারে ২০০ প্যাকেট ‘মমতার পরশ’ পৌঁছে গেছে মধ্যবিত্তদের ঘরে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, করোনাভাইরাসের কারণে কর্মহীন হয়েও যারা সাহায্য চাইতে পারেন না, অথচ খাবারের কষ্ট পাচ্ছেন তাদের জন্যই এ খাদ্য সহায়তা পাঠানো হয়েছে। যাদের পরিচয় মধ্যবিত্ত। সম্প্রতি ইউএনও মুনতাসির জাহান মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর প্রতি গুরুত্ব দিয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন। এতে সাহায্য প্রার্থীদের গোপনীয়তা রক্ষা করার প্রতিশ্রুতিও ছিল। পরে উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে মধ্যবিত্তরা মোবাইলে ফোনে অথবা ফেসবুকে ক্ষুদে বার্তার মাধ্যমে যোগাযোগ করেছেন। তাদের মধ্য থেকে যাচাই-বাচাই করে এ খাদ্য সহযোগিতা পাঠানো হয়েছে।