পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে ‘প্রেমে ব্যর্থ হয়ে’ গলায় ফাঁস দিয়ে ইমন হাওলাদার (২০) নামের এক তরুণ আত্মহত্যা করেছেন। গতকাল শনিবার রাতে উপজেলার গাবগাছিয়া গ্রামে ইমনের নানা বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
ইমন হাওলাদার পিরোজপুর সদর উপজেলার নামাজপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে এবং ইন্দুরকানী উপজেলার গাবগাছিয়া গ্রামের ইউনুছ ঘড়ামির নাতি। ইউনুস আলী হাওলাদারের বাড়ির খাবার ঘর থেকে ইমনের (২০) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
স্থানীয় ইউপি সদস্য ফয়সাল আহমেদ কিসলু ও ইমনের স্বজনেরা জানান, ইমন বেশ কিছুদিন ধরে নানা বাড়িতে অবস্থান করছেন। এখানে থাকার সুবাদে তার নানা বাড়ির পাশের এক মেয়ের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিন্তু তার নানা বাড়ির কেউ ওই প্রেমের সম্পর্কে রাজি ছিলেন না। গতকাল শনিবার সন্ধ্যার দিকে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন ইমন।
মারা যাওয়ার আগে নিজ হাতে একটি চিরকুট লিখে যান ইমন। যাতে লেখা ছিল ‘আমি মারা গেলে কেউ কোনো দায়ী না। আমি যাকে ভালোবাসি তাকে আমি পাই নাই। আমার জীবনের কোনো দাম নাই। সবার কাছে আমি ক্ষমা চাইলাম।’ প্রেমে ব্যর্থ হয়ে অভিমান করে ইমন আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা স্থানীয়দের।
এর আগে ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইমনের নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া বোন রিবি আক্তার ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে জানা যায়।
এ ব্যাপারে ইন্দুরকানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান জানান, ইমন নামে এক তরুণের ঝুলন্ত লাশ তার নানা বাড়ির খাবার ঘর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পিরোজপুর মর্গে পাঠানো হবে। এটি হত্যা না আত্মহত্যা তা ময়নাতদন্তের পর বোঝা যাবে।
সানবিডি/ঢাকা/এসএস