শরীয়তপুরের সখিপুর থানার উত্তর তারাবুনিয়া ইউনিয়ন আরবও পদ্মার আকস্মিক ভাঙ্গন। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে চেয়ারম্যান স্টেশন ঘাটের বাজারে ভাঙ্গণ দেখা দেয়। দ্বিতীয় বারের মতো আকর্ষিক ভাঙ্গণে নদীতে চলে গেছে ৯টি দোকান। ভাঙ্গণ থেকে সরাতে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে আরও কয়েকটি। আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে স্বল আয়ের মানুষগুলো।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এর আগে গত ২৯ জুন এভাবেই আকর্ষিকভাবে নদীতে চলে যায় ৫টি দোকান। সে সময়ে আরও ১০-১৫টি দোকান ক্ষয়ক্ষতি হয়। সেখানে তেমন মালামাল ছিলো না। এবারের ভাঙ্গণে নদীতে তলীয়ে যাওয়া প্রায় সব দোকানেই মালাল ছিলো।
নদী ভাঙ্গণ এলাকা পরিদর্শণ করেছে স্থানীয় চেয়ারম্যান ইউনুস সরকার,শরীয়তপুর জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীসহ প্রশাশনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এদিকে আগে এই ঘটনার পর পরই স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীমের নির্দেশে ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় ইমার্জেন্সি জিওব্যাগ ফেলার কার্যক্রম শুরু করে। এবার এই কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে।
স্থানীয় চেয়ারম্যান ইউনুস সরকার বলেন, মঙ্গলবার রাতে হঠাৎ করে স্টেশন বাজার এলাকায় ভাঙ্গন শুরু হয়। এ সময় কিছু দোকানসহ প্রায় ৩০ মিটার এলাকা নদীতে বিলীন হয়ে যায়। এর মধ্যে মুরগীর দোকান, চায়ের দোকানসহ বিভিন্ন দোকান ছিল। হঠাৎ এ ভাঙ্গনের ফলে স্থানীয় জনগনের মাঝে ব্যাপক আতঙ্ক বিরাজ করছে। তবে আমাদের নেতা পানি সম্পদ উপমন্ত্রীর নির্দেশে ইমার্জেন্সি জিওব্যাগ ফেলার কার্যক্রম শুরু করা হয়।
তিনি বলেন,বর্ষার কারনে পদ্মার পানি বেড়ে যাওয়ার কারণে এ ঘটনা ঘটেছে। পূর্বে ভাঙ্গণের পর পরই স্থানীয় সাংসদ ও পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীমের নির্দেশে ইমার্জেন্সি জিওব্যাগ ফেলার কার্যক্রম শুরু হয়। এটি এখনো চলছে। তার এই উদারতায় আমরা তার প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।