২৬২৯২ কোটি টাকা কৃষি ও পল্লী ঋণের লক্ষ্যমাত্রা: বাংলাদেশ ব্যাংক

সান বিডি ডেস্ক প্রকাশ: ২০২০-০৭-২২ ২০:১৮:০৭


নভেল করোনাভাইরাস (কভিড-১৯) এর প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় এবং সরকারের কৃষি ও কৃষকবান্ধব নীতির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ২০২০-২০২১ অর্থবছরের কৃষি ও পল্লি ঋণ নীতিমালা ও কর্মসূচি প্রণয়ন করা হয়েছে। এবার কৃষি ও পল্লী ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ২৬২৯২ কোটি টাকা যা ২০১৯-২০ অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ৮.৯৯ শতাংশ বেশি। এতে দারিদ্র্য বিমোচন, ক্ষুধা মুক্তি এবং গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নের উদ্দেশ্যে পল্লি অঞ্চলে ব্যাপক হারে কৃষি ঋণ প্রবাহ বৃদ্ধির উপর জোর দেওয়া হয়েছে।

আজ বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

নীতিমালা অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ও বিশেষায়িত ব্যাংকসমূহের জন্য ১১,০৪৫.০০ কোটি টাকা এবং বেসরকারি ও বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহের জন্য ১৫২৪৭.০০ কোটি টাকা কৃষি ও পল্লি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এবার গয়াল ও তিতির পাখি পালনের জন্য ঋণ প্রদান এবং এ সংক্রান্ত ঋণ নিয়মাচার সংযোজন, বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মাছ চাষে ঋণ প্রদান, কন্ট্রাক্ট ফার্মিংয়ের আওতায় গরু মোটাতাজাকরণে ঋণ প্রদান এবং ঋণ নিয়মাচারে একর প্রতি ফসলের ঋণ সীমা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

২০১৯-২০ অর্থবছরে ব্যাংকসমূহ মোট ২২,৭৪৯ কোটি টাকা কৃষি ও পল্লি ঋণ বিতরণ করেছে, যা মোট লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৯৪.৩০%। এ সময়ে ৩০,৬৬,৭৮৬ জন কৃষি ও পল্লি ঋণ পেয়েছেন, যার মধ্যে ব্যাংকসমূহের নিজস্ব নেটওয়ার্ক ও এমএফআই লিংকেজের মাধ্যমে ১৫,১৪,৩৬৭ জন নারী প্রায় ৮,৩৫৯.৯৩ কোটি টাকা কৃষি ও পল্লি ঋণ পেয়েছেন। এ ছাড়া ২৩,৫৪,৮৮৮ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষি বিভিন্ন ব্যাংক থেকে প্রায় ১৬,২৫০ কোটি টাকা এবং চর, হাওর প্রভৃতি অনগ্রসর এলাকার ৭১৭৯ জন কৃষক প্রায় ২১.২১ কোটি টাকা কৃষি ও পল্লি ঋণ পেয়েছেন।

উল্লেখ্য, কৃষিখাতে চলতি মূলধন সরবরাহের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক কতৃক ৫,০০০ কোটি টাকার একটি পুনঃঅর্থায়ন স্কিম পরিচালিত হচ্ছে। এ ছাড়া সুদ-ক্ষতি সুবিধার আওতায় তৈল ও মসলা জাতীয় ফসল ও ভুট্টা ছাড়াও শস্য ও ফসল খাতে স্বল্প সুদে (৪% হারে) কৃষকদের অনুকূলে ঋণ বিতরণ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে, যা চলতি অর্থবছরজুড়ে বিদ্যমান থাকবে।