রাজধানীর মিরপুরের এলাকার পল্লবী থানায় বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এই বিস্ফোরণে চার পুলিশ সদস্যসহ একজন সিভিলিয়ান আহত হয়েছেন।
আহতরা হলেন ইন্সপেক্টর অপারেশন ইমরান, উপ-পরিদর্শক (এসআই) সজিব খান, শিক্ষানবিশ উপ-পরিদর্শক (পিএসআই) রুমি, শিক্ষানবিশ উপ-পরিদর্শক (পিএসআই) অঙ্কুশ। এছাড়া রিয়াজ নামে অফিসের একজন স্টাফ আহত হয়েছেন।
আজ বুধবার (২৯ জুলাই) সকাল ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ডিসি (মিডিয়া) ওয়ালিদ হোসেন।
এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘ভোরে পল্লবী এলাকা থেকে তিন আসামিকে গ্রেফতার করে পল্লবী থানা হেফাজতে রাখা হয়। মিরপুর এলাকার একজন রাজনীতিক নেতাকে খুন করার জন্য তাদেরকে ভাড়া করা হয়েছিল বলে অভিযোগ ছিল তাদের বিরুদ্ধে।’
‘গ্রেফতারের পর তাদের থানায় আনা হয়। তাদের কাছ থেকে দুইটি অস্ত্র ও কিছু জিনিসপত্র উদ্ধার করে পুলিশ। এগুলো থানার ইন্সপেক্টর অপারেশনের রুমে রাখা হয়। উদ্ধারকৃত জিনিসপত্রগুলোর মধ্যে ওজন মাপার মেশিন-সদৃশ্য একটি বস্তু ছিল। সকাল ৭টায় হঠাৎ সেটি বিস্ফোরণ হয়।’
ডিসি ওয়ালিদ হোসেন আরও জানান, এ ঘটনায় মোট চারজন পুলিশ ও একজন সিভিলিয়ান আহত হয়েছেন। তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (ঢামেক) পাঠানো হয়েছে।
তিনি বলেন, পুলিশ এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছে।
ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘আহতদের মধ্যে পিএসআই অংকুশকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চক্ষু হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এসআই সজীব খান ও ইন্সপেক্টর ইমদাদ প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন। আর আহত পিএসআই রুমি ও সিভিলিয়ান রিয়াজ ঢামেকে চিকিৎসাধীন আছেন।’
এদিকে যে রুমে বিস্ফোরণ ঘটেছে সেই রুমের দুইটি জানালার মধ্যে একটি ভেঙে নিচে রাস্তায় পড়েছে। অপরটি ওপরে ঝুলে আছে।
থানার গেটে প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত করা হয়েছে। থানায় আগতদের গেটে জিজ্ঞাসাবাদ করে ভেতরে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে। তবে গণমাধ্যমকর্মীদের থানার ভেতরে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করছে।
ঘটনাস্থলে পুলিশ ছাড়াও র্যাব, ডিবি ও অ্যান্টি-টেররিজম ইউনিট রয়েছে।
সানবিডি/এনজে