রাজধানীতে টিসিবি’র পণ্য কিনতে ক্রেতাদের ভিড়

নিজস্ব প্রতিবেদক || প্রকাশ: ২০২১-০৪-১২ ১৫:১৪:৪১ || আপডেট: ২০২১-০৪-১২ ১৯:৫২:২১

অন্যবারের মতো এবারও পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে বাড়তি চাহিদার জন্য এবার আগে থেকেই স্বল্প মূল্যে পণ্য বিক্রি করছে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)।

রমজানের প্রস্তুতির জন্য সারাদেশের ভোজ্যতেল, চিনি, মসুর ডাল এবং পেঁয়াজ বিক্রি করছে সংস্থাটি।

টিসিবির পণ্য বিক্রির সময় রাজধানীতে ক্রেতাদের ব্যাপক সাড়া দেখা গেছে।প্রতি বছর রমজানের বেশ আগে থেকেই দেশে বাড়তে থাকে নিত্যপণ্যের দাম। এ কারণে বাজারের চেয়ে কম দরে ক্রেতাদের পণ্য সরবরাহের সরকারি উদ্যোগ বাস্তবায়ন করে টিসিবি।

সোমবার (১২ এপ্রিল) টিসিবির মুখপাত্র হুমায়ন কবির বলেন, টিসিবির ট্রাকে প্রতি লিটার সয়াবিন ১০টাকা, প্রতিকেজি চিনি ৫৫ টাকা, মসুর ডাল ৫৫ টাকা ও ছোলা ৫৫ টাকা পেঁয়াজ ২০ টাকা খেজুর ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

করোনা সংকটে খরচ বাঁচাতে ভর্তুকিমূল্যে পণ্য (চিনি, মসুর ডাল, পেঁয়াজ, খেজুর ও সয়াবিন তেল) কিনতে সোমবার নিম্ন আয়ের পাশাপাশি মধ্যবিত্তদেরও ভিড় করতে দেখা যায়।

রাজধানীর সচিবালয় গেট, জাতীয় প্রেস ক্লাব ও শান্তিনগর এলাকার টিসিবির বিক্রয় কেন্দ্রের ডিলারদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

শান্তিনগর বাজারের ডিলার জানান, সকাল থেকে রোদ উপেক্ষা করে মানুষকে সুশৃঙ্খলভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিক্রয় কেন্দ্রের সামনে লাইনে দাঁড়াতে দেখা যায়। টিসিবির ট্রাক থেকে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হয়েছে ৫৫ টাকায়।

একজন ক্রেতার কাছে সর্বোচ্চ দুই কেজি বিক্রি করা হয়েছে। এছাড়া মসুর ডাল প্রতি কেজি ৫৫ টাকা দরে একজন ক্রেতার কাছে সার্বোচ্চ এক কেজি বিক্রি করা হয়েছে। বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১০০ টাকা দরে একজন ক্রেতার কাছে সর্বোচ্চ ৫ লিটার বিক্রি করা হয়েছে।

তবে আগে টিসিবির এই বিক্রয় কেন্দ্রে নিম্ন আয় ও খেটে খাওয়া মানুষের ভিড় বেশি দেখা যেত, এখন করোনা পরিস্থিতিতে অনেক মধ্যবিত্তও ভিড় করছেন। সেটা চেহারা দেখেই টের পাচ্ছি।

এবিষয়ে আরও জানতে চাইলে টিসিবির মুখপাত্র হুমায়ুন কবির বলেন, টিসিবির বিক্রয় কেন্দ্রে সামাজিক দূরত্ব মেনে পণ্য বিক্রির জন্য প্রতিটি ডিলারকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আমরা বিষয়টা নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করছি। আশা করি সবকিছু ঠিক থাকবে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •