সিজার-হত্যা: কাইয়ুমের ছোট ভাই ফের রিমান্ডে

প্রকাশ: ২০১৫-১১-১৩ ১৭:২১:১২ আপডেট: ২০১৫-১১-১৩ ১৯:২৪:২৭

motinইতালির নাগরিক সিজার তাবেল্লা হত্যা মামলায় ঢাকা মহানগর বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক ও সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার এম এ কাইয়ুমের ছোট ভাই এম এ মতিনকে ফের পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

ঢাকা মহানগর হাকিম আব্দুল্লাহ আল মনসুর শুক্রবার এ আদেশ দেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আদালত শুনানি শেষে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে, ৬ নভেম্বর তাকে আট দিনের রিমান্ডে নেয় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।

ডিবি বলছে, ৫ নভেম্বর রাতে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় যশোরের বেনাপোল থেকে এম এ মতিনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার মিনহাজুল আরেফিন রাসেলের জবানবন্দীতে মতিনের নাম এসেছে।

তবে মতিনের পরিবার বলছে, ২০ অক্টোবর সন্ধ্যার পর মধ্য বাড্ডার বাসার সামনে থেকে ডিবি পরিচয়ে কয়েক ব্যক্তি মতিনকে সাদা রঙের একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। অবশ্য তাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে ডিবি।

সিজার তাবেল্লা হত্যা মামলায় মতিনসহ এ পর্যন্ত পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হল। তাদের মধ্যে তামজিদ আহম্মেদ রুবেল, মিনহাজুল আরেফিন রাসেল, শাখাওয়াত হোসেন ওরফে শরিফ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন। দ্বিতীয় দফায় রিমান্ডের দ্বিতীয় দিনে রাসেল চৌধুরী আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেন। ২৬ অক্টোবর এই চারজনকে গ্রেফতার করে ডিবি।

২৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় গুলশানে গভর্নর হাউসের সীমানা প্রাচীরের বাইরের ফুটপাতে সিজারকে (৫০) গুলি করে হত্যা করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা দুই তরুণকে গুলি চালিয়ে অপেক্ষমাণ এক ব্যক্তির মোটরসাইকেলে করে পালাতে দেখেছেন। সিজার নেদারল্যান্ডসভিত্তিক আইসিসিও কো-অপারেশন নামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রুফ (প্রফিটেবল অপরচুনিটিজ ফর ফুড সিকিউরিটি) কর্মসূচির প্রকল্প ব্যবস্থাপক ছিলেন।