৪৮ শতাংশ কোম্পানির শেয়ার দর কমেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২০-১০-০৪ ১৬:০৬:৩১


সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের মিশ্র প্রতিক্রিয়ায় লেনদেন শেষ হয়েছে। এদিন শতকরা ৪৮ দশমিক ২০ শতাংশ বা ১৭১টি কোম্পানির দর কমেছে। বেড়েছে ৩৭ দশমিক ৫০ শতাংশ বা ১৩৩টি কোম্পানির। অপরিবর্তিত রয়েছে ১৪ দশমিক ৪০ শতাংশ বা ৫১টি কোম্পানির শেয়ার দর।

বাজার বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানা গেছে।

বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দিন শেষে ডিএসইর খাতগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দর বেড়েছে বীমা খাতের। এ খাতের দর বেড়েছে ৭৬ দশমিক ৬০ শতাংশ বা ৩৬ কোম্পানির। কমেছে ১৯ দশমিক ১৫ শতাংশ বা ৯ কোম্পানির। অপরিবর্তীত রয়েছে ৪ দশমিক ২৬ শতাংশ বা ২ কোম্পানির।

তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সিমেন্ট খাত। এ খাতের দর বেড়েছে ৫৭ দশমিক ১৪ শতাংশ বা ৪ কোম্পানির। কমেছে ২৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ বা ২ কোম্পানির। অপরিবর্তীত রয়েছে ১৪ দশমিক ২৯ শতাংশ বা ১ কোম্পানির।

এরপর রয়েছে ব্যাংক খাত। এ খাতের দর বেড়েছে ৫৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ বা ১৭টি কোম্পানির। কমেছে ১৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ বা ৫ কোম্পানির। অপরিবর্তীত রয়েছে ২৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ বা ৮ কোম্পানির।

চতুর্থ স্থানে রয়েছে আইটি খাত। এ খাতের দর বেড়েছে ৫০ শতাংশ বা ৫ কোম্পানির। কমেছে ৪০ শতাংশ বা ৪ কোম্পানির। অপরিবর্তীত রয়েছে ১০শতাংশ বা ১ কোম্পানির।

এরপর আছে টেলিকমিউনিকেশন খাত। এ খাতের দর বেড়েছে ৫০ শতাংশ বা ১ কোম্পানির। কমেছে ৫০ শতাংশ বা ১ কোম্পানির।

ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে সেবা ও আবাসন খাত। এ খাতের দর বেড়েছে ৫০ শতাংশ বা ২ কোম্পানির। কমেছে ২৫ শতাংশ বা ১ কোম্পানির। অপরিবর্তীত রয়েছে ২৫ শতাংশ বা ১ কোম্পানির।

তারপর রয়েছে চামড়া খাত। এ খাতের দর বেড়েছে ৫০ শতাংশ বা ৩ কোম্পানির। কমেছে ৫০ শতাংশ বা ৩ কোম্পানির।

অষ্টম স্থানে রয়েছে খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাত। এ খাতের দর বেড়েছে ৪১ দশমিক ১৮ শতাংশ বা ৭ কোম্পানির। কমেছে ৪৮ দশমিক ৮২ শতাংশ বা ১০ কোম্পানির।

তারপর রয়েছে বস্ত্র খাত। এ খাতের দর বেড়েছে ৩৮ দশমিক ৬০ শতাংশ বা ২২ কোম্পানির। কমেছে ২৯ দশমিক ৮২ শতাংশ বা ১৭ কোম্পানির। অপরিবর্তীত রয়েছে ৩১ দশমিক ৫৮ শতাংশ বা ১৮ কোম্পানির।

দশম স্থানে রয়েছে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাত। এ খাতের দর বেড়েছে ৩৬ দশমিক ৮৪ শতাংশ বা ৭ কোম্পানির। কমেছে ৫৭ দশমিক ৮৯ শতাংশ বা ১১ কোম্পানির। অপরিবর্তীত রয়েছে ৫ দশমিক ২৬ শতাংশ বা ১ কোম্পানির।

১১তম স্থানে রয়েছে ওষুধ ও রসায়ন খাত। এ খাতের দর বেড়েছে ৩৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ বা ১১ কোম্পানির। কমেছে ৫৩ দশমিক ১৩ শতাংশ বা ১৩ কোম্পানির। অপরিবর্তীত রয়েছে ১২ দশমিক ৫০ শতাংশ বা ৪ কোম্পানির।

এরপর ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ দাম বেড়েছে তিনটি খাতের। খাতগুলো হলো-বিবিধ খাত, পেপার অ্যান্ড প্রিন্টিং খাত এবং পাট খাত।

তারপর রয়েছে আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের দর বেড়েছে ২৭ দশমিক ২৭ শতাংশ বা ৬ কোম্পানির। কমেছে ৬৩ দশমিক ৬৪ শতাংশ বা ১৪ কোম্পানির। অপরিবর্তীত রয়েছে ৯ দশমিক ০৯ শতাংশ বা ২ কোম্পানির।

এরপর রয়েছে ভ্রমণ ও অবকাশ খাত। এ খাতের দর বেড়েছে ২৫ শতাংশ বা ১ কোম্পানির। কমেছে ২৫ শতাংশ বা ১ কোম্পানির। অপরিবর্তীত রয়েছে ৫০ শতাংশ বা ২ কোম্পানির।

তারপর রয়েছে প্রকৌশল খাত। এ খাতের দর বেড়েছে ২০ দশমিক ৫১ শতাংশ বা ৮ কোম্পানির। কমেছে ৬৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ বা ২৬ কোম্পানির। অপরিবর্তীত রয়েছে ১২ দশমিক ৮২ শতাংশ বা ৫ কোম্পানির।

দরবৃদ্ধির তালিকায় এরপরেই রয়েছে সিরামিক খাত। এ খাতের দর বেড়েছে ২০ শতাংশ বা ১ কোম্পানির। কমেছে ৪০ শতাংশ বা ২ কোম্পানির। অপরিবর্তীত রয়েছে ৪০ শতাংশ বা ২ কোম্পানির।

এরপর রয়েছে মিউচুয়াল ফান্ড খাত। এ খাতের দর বেড়েছে ৫ দশমিক ৪১ শতাংশ বা ২ কোম্পানির। কমেছে ৮৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ বা ৩২ কোম্পানির। অপরিবর্তীত রয়েছে ৮ দশমিক ১১ শতাংশ বা ৩ কোম্পানির।

শতভাগ দাম কমেছে পেপার অ্যান্ড প্রিন্টিং খাতের।