নকশি পিঠা’ই স্বপ্ন বুনছেন সুমি আক্তার

সান বিডি ডেস্ক আপডেট: ২০২০-১১-২৪ ১৯:২৮:৪৯


পিঠা খেতে কার না ভালো লাগে।এই শীতে গরম-গরম পিঠা যেন অমৃত।বিশেষত গ্রামীণ জীবনের প্রতিদিনের খাবারের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে বিভিন্ন ধরণের সুস্বাদু ও মজার পিঠার নাম।তবে এখন শুধু গ্রামেই নয় শহুরে জীবনেও অনলাইনের মাধ্যমে খুব সহজেই পাওয়া যায় বিভিন্ন রকমের নকশি পিঠা।

নকশি করা এই রসুই পিঠাপুলিতেই স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্যে কাজ করছেন সুমি আক্তার।তিনি নারায়নগঞ্জ কলেজ থেকে মার্কেটিং বিভাগে অর্নাস কমপ্লিট করেছেন।তিনি নাসিমা আক্তার নিসার প্রতিষ্ঠা করা অনলাইন ভিত্তিক বৃহত্তম উদ্যোক্তা প্ল্যাটফর্ম ওমেন এন্ড ই-কমার্স ফোরাম (উই) এর মাধ্যমে পণ্য ডেলভারি দেন।এ কাজে তাকে বিশেষভাবে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন এই প্ল্যাটফর্ম এর উপদেষ্টা রাজীব আহমেদ

তার উদ্যোক্তা জীবনে আসার গল্পটা ‍জানতে ‍চাইলে সানবিডি প্রতিনিধিকে তিনি জানান,‘আমার নাম সুমি আক্তার।দুই বোন ও এক ভাইয়ের মধ্যে আমি বড় সন্তান।ছোট বেলা থেকেই বিভিন্ন ধরনের হাতের কাজ করতে পারতাম।তার মধ্যে অন্যতম ছিল পিঠাপুলি বানানো।পিঠা বানাতে ছোট বেলা থেকেই ভালো লাগতো।সেই ভালো লাগা থেকেই আজকের উদ্যোক্তা জীবনের সূত্রপাত।ভালো লাগা থেকে ভালোবাসা, এবং ভালোবাসা থেকে আজ তা নেশায় পরিনত হয়েছে।কথায় আছে যে ব্যাক্তি যে কাজে দক্ষ তাকে সে কাজ করাই উত্তম।যেহেতু পৃথিবীতে কোন কাজকেই ছোট করে দেখার অবকাশ নেই তাই আমার প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে শুরু করেছি আমার এই উদ্যোক্তা জীবন।’

তিনি বলেন, মূলত মেয়ে হিসেবে নিজের একটা পরিচয় গড়ে তোলার জন্য আমার এ পদক্ষেপ। আর পাশাপাশি আমাদের দেশীয় ঐতিহ্যে ধরে রাখার ক্ষুদ্র প্রচেষ্ঠা।আমার কাজের প্রসারের জন্য ‘রসুই পিঠাপুলি’ তৈরি করেছি।

সুমি আক্তার বলেন, শুরুতে ৫০০ টাকার ও কিছু কম নিয়ে তিনি এই কাজ শুরু করেন।বর্তমানে তিনি বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছেন।তার এই কাজে বিশেষভাবে সহযোগিতা করেন তার মা এবং ছোট বোন।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সর্ম্পকে জানতে চাইলে তিনি বলেন,শহরের  কর্মব্যস্ত মানুষ সময় সল্পতার কারনে অনেকে পিঠা তৈরি করার সুযোগ পায় না। তাই তাদের কাছে দেশীয় গ্রামীন পিঠা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করবো।সাথে নকশীকাঁথা নিয়েও কাজ করার পরিকল্পনা আছে।

তিনি সকলের দোয়া ও ভালোবাসা নিয়ে নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে রসুই পিঠাপুলি নিয়ে অনেক দূর এগিয়ে যেতে চাই।

সানবিডি/ফাহমিদ জামান/৭:২৩/১১.২৪.২০২০