ভাইস প্রেসিডেন্ট পেন্স রাজি নয় ট্রাম্পকে সরাতে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক || প্রকাশ: ২০২১-০১-১৩ ১১:৩২:৫৫ || আপডেট: ২০২১-০১-১৩ ১১:৩২:৫৫

মার্কন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সরাতে রাজি নয় ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স। তিনি এক চিঠিতে এ তথ্য জানিয়েছেন । সংবিধানের ২৫তম সংশোধনী কার্যকর করে পেন্স যদি ট্রাম্পকে সরিয়ে দিতেন তাহলে ট্রাম্পকে অভিশংসনের জন্য কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে ভোটাভুটির দরকার ছিল না।

ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স স্পিকার ন্যান্সি পেলোসিকে এক চিঠিতে জানিয়েছেন, তিনি সংবিধানের ২৫তম সংশোধনী কার্যকর করে ট্রাম্পকে অপসারণ করবেন না। যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে এমন পদক্ষেপ ভালো হবে না বলে পেন্স জানিয়েছেন। খবর গার্ডিয়ানের

পেন্সের এমন চিঠির ফলে ক্যাপিটল হিলে হামলায় মদদ দেওয়ায় ট্রাম্পের শাস্তি নিশ্চিত করতে ডেমোক্র্যাটদের হাতে অভিশংসন ছাড়া আর কোনো পথ নেই।

এ দিকে ট্রাম্পকে অভিশংসনের জন্য কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে এখন ভোটাভুটির প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যে ভোট শুরু হতে পারে।

ট্রাম্পের দল রিপাবলিকানের তিন সদস্যও অভিশংসনের দাবি তুলেছেন। তারা জানিয়েছেন, ভোটাভুটিতে অভিশংসনের পক্ষে সায় দেবেন তারা।

কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি ট্রাম্পকে অসপারণের প্রস্তাব উত্থাপন করবেন। এই প্রস্তাব পাস হলে সেটি ভাইস প্রেসিডেন্ট পেন্সের কাছে পাঠানো হবে। এই প্রস্তাবে সংবিধানের ২৫তম সংশোধনী কার্যকর করে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে ট্রাম্পকে অপসারণ করতে বলা হবে পেন্সকে।

ক্যাপিটল হিলে ট্রাম্পের উগ্র সমর্থকদের হামলার বিষয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট পেন্স এর বিরুদ্ধে অবস্থা নিয়েছিলেন এবং হামলার নিন্দা জানিয়েছিলেন। বিধ্বংসী ট্রাম্পের বিপরীতে নায়কোচিত ভূমিকায় দেখা যায় পেন্সকে। এ থেকে ধারণা করা হচ্ছিল, যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ২৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে পেন্স হয়তো ট্রাম্পকে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে অপসারণে ভূমিকা রাখবেন। তবে ক্যাপিটল হিলে হামলার পর স্থানীয় সময় গত সোমবার ট্রাম্পের সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতে পেন্স সুর বদলে ফেলেছেন। ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত মেয়াদ শেষের দিনগুলোতে দু’জন একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে মতৈক্য হয়েছে তাদের মধ্যে। এ বিষয়ে হোয়াইট হাউসের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে সিএনএনকে বলেছেন, রিপাবলিকান সরকারের গত চার বছরের প্রশাসনিক কার্যাবলি ও সাফল্য নিয়ে তাদের মধ্যে চমৎকার আলোচনা হয়েছে। ক্ষমতার বাকি দিনগুলো দেশের কল্যাণে একযোগে কাজ করার বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছেন তারা।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •