পিটিএর শুল্ক সুবিধা কার্যকর মার্চে
সান বিডি ডেস্ক প্রকাশ: ২০২১-০২-১১ ১১:১১:২৬
বাংলাদেশ-ভুটানের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রেফারেন্সিয়াল ট্রেড এগ্রিমেন্ট (পিটিএ) এর আওতায় বাণিজ্য সুবিধা দ্রুত কার্যকর করতে চায় সরকার। গত বছর ৮ ডিসেম্বর এই চুক্তি স্বাক্ষর হলেও কিছু কারিগরি কাজ বাকি থাকায় নিয়মিত ট্রেডিংয়ে পিটিএর শুল্ক সুবিধা এখনও কার্যকর করা যাচ্ছে না।
এই অসম্পন্ন কাজ দ্রুত সময়ের মধ্যে শেষ করতে আগামী মার্চে ভুটানের সঙ্গে জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের (জেডব্লিউসি) বৈঠকে বসছে বাংলাদেশ। বুধবার সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত রিনচেন কুয়েন্টশিলের মধ্যে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
বর্তমানে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ভুটানের অনুকূলে। গত ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে বাংলাদেশ ভুটান থেকে আমদানি করেছে ৪ কোটি ৯৯ লাখ মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য। আর দেশটিতে রপ্তানি হয়েছে মাত্র ৭৫ লাখ ৬০ হাজার ডলার মূল্যের পণ্য। বাংলাদেশের প্রত্যাশা, পিটিএর সুবিধা পাওয়া শুরু হলে আগামীতে উভয় দেশের বাণিজ্য আরও বাড়বে, কমবে ঘাটতি।
সূত্র জানায়, বৈঠকে দুই দেশই পারস্পরিক বাণিজ্য বাড়াতে একমত হয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা দূর করে অসম্পন্ন কাজগুলো দ্রুত শেষ করার অঙ্গীকার করা হয়। টিপু মুনশি রাষ্ট্রদূতকে বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে প্রথম পিটিএ স্বাক্ষরকারী দেশ ভুটান। আমরা এ চুক্তিকে অর্থবহ করতে চাই।
তাই যত দ্রুত সম্ভব উভয় দেশের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে পিটিএর সুবিধা কাজে লাগাতে চাই।’ জবাবে ভুটানের রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘স্বাক্ষরিত পিটিএর সুবিধা গ্রহণের জন্য ভুটান সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করছে। আসন্ন জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভায় প্রয়োজনীয় সব কাজ সম্পন্ন করা হবে।’
তিনি এ সময় বাণিজ্য সহজ ও দ্রুত করতে বাংলাদেশের বুড়িমারি, বাংলাবান্ধা, সোনাহাট এবং আখাউড়া স্থল বন্দরের সক্ষমতা ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করার তাগিদ দেন। একই সঙ্গে পণ্য আমদানি-রপ্তানিতে তৃতীয় কোন পক্ষের সহযোগিতা ছাড়াই সরাসরি বাণিজ্য করার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
এ সময় রাষ্ট্রদূত কৃষি কাজে ব্যবহারের জন্য বাংলাদেশ থেকে রাসায়নিক সার আমদানির আগ্রহের কথাও জানান।






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন














