জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এখানে প্রতিদিন চলে নদী পারাপার
জেলা প্রতিনিধি আপডেট: ২০২১-০২-১৭ ১৬:৫৬:৫৪
রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলায় পদ্মা নদীর হাবাসপুর ও বাহাদুরপুর ঘাটে কোনো নৌ-পরিবহন না থাকায় রাজবাড়ী ও পাবনা এ দুটি জেলার অন্তত অর্ধশতাধিক গ্রামের মানুষের যাতায়তের একমাত্র ভরসা নৌকা।
প্রতিদিন স্কুল,মাদ্রাসা ও কলেজগামী শত শত শিক্ষার্থীসহ এলাকার হাজার হাজার মানুষ বিভিন্ন প্রয়োজনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খেয়া নৌকায় নদী পারাপার হতে হয়। সম্প্রতি দেশের বেশ কয়েকটি নদীতে নৌকাডুবির ঘটনার পরেও এ দুটি ঘাটে কোন উদ্যেগ নেয়নি প্রশাসন। সরেজমিনে হাবাসপুর ও বাহাদুরপুর ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, লাইফ জ্যাকেট ছাড়াই নৌকাতে যাতায়াত করছে নিত্য প্রয়োজনীয় মালামাল সহ অসংখ্য মানুষ।
স্থানীয় বাসিন্দা জিল্লু বলেন, রাজবাড়ী ও পাবনা জেলার সহজতম যোগাযোগ মাধ্যম এই নদীপথ দিয়ে প্রতিদিন প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ যাতায়াত করেন। গ্রীষ্মকালে পানি কম ও নদীর বেশিরভাগ স্থানে চর জেগে থাকলেও বছরের বেশীরভাগ সময় নদী ভরাট থাকায় যাত্রীদের নদী পারাপারের একমাত্র ভরসা নৌকা। যাত্রী সুরক্ষার কোন ব্যবস্থা ও নেই এখানে। প্রাণের ঝুঁকি নিয়েই নৌকাতে সওয়ার হই। তবে কেউ নৌকায় নদী পেরোতে না চাইলে প্রায় ৫০-৬০ কিলোমিটার ঘুরে তবেই পাবনায় পৌঁছাতে হয় ।
সুমন নামে এক স্কুল ছাত্র বলেন, আমাদের যাতায়াতের ভরসা একমাত্র নৌকাই। বিশেষত বর্ষায় নদীতে যখন পানিতে থাকে তখন সমস্যা আরও তীব্র হয়। তবুও প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে বাধ্য হয়েই আমাদের যাতায়াত করতে হয়।
যাত্রীদের এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দিতে পারে স্থায়ীভাবে পদ্মা নদীর বাহাদুরপুর ঘাটে নৌ-পরিবহন। এমনই দাবি জানিয়েছেন এই নদী পেরিয়ে নিত্য যাতায়াতকারী যাত্রীরা।
এই বিষয়ে হাবাসপুর ঘাটের এক নৌকা চালক বলেন, দু’বছরের জন্য ৬ লাখ টাকায় এই ঘাটের ডাক রয়েছে। যাত্রী সুরক্ষা বিষয়ে প্রশাসনের তরফ থেকে তাদের কোনও নির্দেশ বা প্রয়োজনীয় সামগ্রী দেওয়া হয়নি। তিনি আরও বলেন, দূর্ঘটনা যেকোনও সময় ঘটতেই পারে। কিন্তু সাধারণ মানুষের কথা ভেবেই তারা নৌকায় যাত্রীদের পারাপার করেন।
এ বিষয়ে পাংশা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আলী বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিলনা। আপনাদের মাধ্যমে জানলাম। আমি বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলবো।






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













