যাত্রী পারাপার বন্ধ পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া এবং শিমুলিয়া নৌরুটে
নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২১-০৪-১৪ ১১:৫৫:১৯
সরকার ঘোষিত লকডাউনের আওতা বহির্ভুত সব ধরনের যানবাহন ও যাত্রী পারাপার বন্ধ করে দিয়েছে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া-বাংলাবাজার এবং মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ফেরিঘাট কর্তৃপক্ষ। বুধবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৬টা থেকেই এ বিষয়ে কড়াকড়ি আরোপ করেছে বিআইডব্লিউটিএ ও পুলিশ।
বুধবার সকাল থেকেই ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেস ওয়েতে চেক পোস্ট বসায় পুলিশ। জরুরি প্রয়োজনীয় গাড়ি এবং লকডাউন আওতার বাইরে রয়েছে, এমন যানবাহন ছাড়া সকাল ৬টার পর থেকে কোনো যানবাহন চলতে দেওয়া হচ্ছে না। তবে শিমুলিয়া ঘাটে দুই শতাধিক এবং বাংলাবাজার ঘাটে চার শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক আটকা পড়েছে।
বিআইডব্লিউটিসি শিমুলিয়ার ঘাটে এজিএম শফিকুল ইসলাম জানান, শিমুলিয়া-বাংলাবাজারের ফেরি বহরের ১৬ ফেরির মধ্য চলমান রয়েছে সচল ১৪টি ফেরি। এছাড়িা নৌরুটটিতে লঞ্চ, স্পিডবোট ও ট্রলার চলাচল পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আটকেপড়া পণ্যবাহী ট্রাক পারাপার করার পর ফেরি বন্ধ করে দেয়া হবে।’
মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসক বলেন, ‘সর্বাত্মক লকডাউন পুরোপুরি কার্যকর হচ্ছে, কোনো ছাড় দেয়া হবে না।’

এদিকে, বুধবার ভোর থেকেই পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় কড়া নজরদারি শুরু করে জেলা পুলিশের সদস্যরা। ভোর ৬টার পর যারা বা যেসব যানবাহন ঘাটে গিয়ে পৌঁছেছে, তাদেরকে আটকে দেওয়া হয়েছে। ফলে ঘাট এলাকায় ছোট-বড় দুই শতাধিক যানবাহন আটকে পড়েছে।
লকডাউন কার্যকর করতে ফেরিঘাটসহ মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসিয়েছে জেলা পুলিশ। জরুরি প্রয়োজনীয় গাড়ি এবং লকডাউন আওতার বাইরে রয়েছে, এমন যানবাহন ছাড়া সকাল ৬টার পর থেকে কোনো যানবাহন চলতে দেওয়া হচ্ছে না।
পাটুরিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক মো. সালাম জানান জানান, জরুরি প্রয়োজনীয় ও লকডাউন আওতার বাইরে থাকা গাড়িগুলোকেই কেবল পারাপারের টিকিট দেওয়া হচ্ছে। মাত্র দুটি ফেরি জরুরি পারাপারে নিয়োজিত রয়েছে।






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন














