প্রস্তাবিত বাজেটের শিরোনামেই ভাঁওতাবাজি পরিষ্কার: বিএনপি
নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২১-০৬-০৪ ১৬:৫২:১৯
প্রস্তাবিত ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটে ভাঁওতাবাজি পরিষ্কার ও তা ব্যর্থ হবে বলে মনে করে বিএনপি। দলটি জানিয়েছে, ‘জীবন-জীবিকায় প্রাধান্য দিয়ে সুদৃঢ় আগামীর পথে বাংলাদেশ’ শিরোনামে প্রস্তাবিত বাজেটের প্রতিপাদ্য শব্দমালার মধ্যেই এবারের বাজেটের ভাঁওতাবাজি পরিষ্কার।
শুক্রবার (৪ জুন) দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ মন্তব্য করেন। বৃহস্পতিবার (৩ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২১-২০২২ সালের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনের পরদিন দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ঘোষিত ঢাউস সাইজের সংখ্যাতাত্ত্বিক এই বাজেটে সামাজিক সুরক্ষার বিষয়টা অনুপস্থিত। তাই বিএনপি মনে করে, এই বাজেটে মহামারিকালে মানুষের জীবন-জীবিকায় স্বাভাবিক গতি ফিরে পেতে ও বেঁচে থাকার নিশ্চয়তায় চলমান স্বাস্থ্য পরিকল্পনার গ্রহণের ক্ষেত্রে ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে জনগণকে কোভিডের মহাসংকট থেকে রক্ষার দিকনির্দেশনা নেই। এটি দুর্নীতির ধারাবাহিকতা রক্ষার বাজেট। জনগণের সমর্থনহীন সরকারের রাষ্ট্রের প্রতি কোনো দায়বদ্ধতা নেই। তাই এ বাজেটে জনস্বার্থের কোনো প্রতিফলন ঘটেনি। ঘোষিত বাজেটে অপচয়, অব্যবস্থাপনা বন্ধ করে সুশাসন ও জবাবদিহি নিশ্চিত হয়নি। বরং এ সরকারের সময় দেশে গণতন্ত্র, মানবাধিকার, বাকস্বাধীনতা, আইনের শাসন এবং জবাবদিহির যে ঘাটতি রয়েছে, তার প্রতিফলন এ বাজেট।
তিনি বলেন, এবারের প্রস্তাবিত বাজেট হচ্ছে জিডিপির মাত্র ১৭ দশমিক ৪৬ শতাংশ। ২০২১ অর্থ বছরের মূল বাজেট ছিল পাঁচ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা, যা ছিল ১৭ দশমিক ৯০ শতাংশ। এ হিসেবে বাজেটের প্রকৃত বৃদ্ধির পরিবর্তে সংকুচিত হয়েছে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, যে প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতি বাঁচিয়ে রেখেছে তাদের জন্য বাজেটে কোনো পদক্ষেপ নেই। রপ্তানি খাতে ২ শতাংশ ভর্তুকির সুবিধা পাবে অর্থ পাচারকারীরা। বড় প্রকল্পে লুটপাটের সুযোগ বেশি, তাই সরকার গরিব-অসহায়দের প্রণোদনায় আগ্রহ দেখায় না।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- নজরুল ইসলাম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোহাম্মদ শামছুল আলম, চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, বন ও পরিবেশ সম্পাদক মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, বিএনপির তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক জেড খান রিয়াজউদ্দীন নসু, সহ-বন ও পরিবেশ সম্পাদক কাজী রওনকুল ইসলাম টিপু, চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার।
সানবিডি/এএ






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন














