মুক্তি পেলেন না সাংবাদিক আক্তার, কারা প্রকোষ্ঠে কাটাতে হবে ঈদ

নিজস্ব প্রতিবেদক আপডেট: ২০২১-০৭-১৮ ২৩:২০:০১


দিনভর বগুড়ার সাংবাদিক নেতা, রাজনৈতিক নেতা ও পরিবারের সদস্যসহ বিভিন্ন মহলের প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়ে গেলো। তরুণ সাংবাদিক আক্তারকে মুক্ত করা গেল না। তাঁকে বুধবারের ঈদ কাটাতে হবে কারা প্রকোষ্ঠে। পরিবারের ঈদ হবে আনন্দহীন। শনিবার রাত ৩টায় আটকের প্রায় ২০ ঘন্টা পর আজ সন্ধ্যায় ডিজিটাল নিরাপত্তা নামক কালো আইনে তার বিরুদ্ধে বগুড়া সদর থানায় মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে বলে জানালেন সাংবাদিক বন্ধুরা। বাদী বগুড়া সদর পরিবার পরিকল্পনা অফিসের সহকারী ও হিসাবরক্ষক শামীমা আক্তার। সারা দিনের প্রচেষ্টায় পুলিশ সুপার, ওসি থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট সবাই সাংবাদিক আক্তারের মুক্তির ব্যাপারে সহানুভূতিশীল মনোভাব প্রকাশ করলেও মন গলানো যায়নি আলোচিত এ নারীর। সবার অনুরোধ উপেক্ষা করে তিনি ও তাঁর বস ডা. মিশু মামলার ব্যাপারে অনমনীয় থাকেন। অভিযোগ হচ্ছে- পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের প্রকল্পে নিয়োজিত কর্মীদের ভাতা বিতরণে দুর্নীতির বিষয়ে ফেসবুকে লিখেছেন সাংবাদিক আক্তার।

সকাল ১০টায় বগুড়ার পুলিশ সুপারের সঙ্গে আমার বিস্তারিত কথা হয়। তিনি সাংবাদিকের ফেসবুক স্ট্যাটাসে অসন্তোষ প্রকাশ করলেও ঈদের প্রাক্কালে বিষয়টি সহানুভূতির সঙ্গে দেখার আশ্বাস দেন। বিকেল ৫টা পর্যন্ত সময় দেন সমঝোতার জন্য। সাংবাদিক ইউনিয়নের দুই অংশের নেতারা সারাদিন থানায় উপস্থিত থেকে চেষ্টা চালান। আক্তারের বাবা হাতে- পায়ে ধরে সন্তানের পক্ষে ক্ষমা চান। কিন্তু বিতর্কিত ও আলোচিত নারী শামীমা আক্তারের খুঁটির জোর এতই শক্ত যে তিনি সাংবাদিক আক্তারকে ‘উচিত শিক্ষা’ দেওয়ার সিদ্ধান্তে অটল থাকেন। আক্রোশ এমন পর্যায়ে গেছে যে, রাত ৩টায় আটকের সময় পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মিশু ও তাঁর সহকারী শামীমা আক্তার পুলিশের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বলে আক্তারের পরিবার জানিয়েছে।

সানবিডি/এনজে