ডেঙ্গু-চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে বিজিএমইএর ১০ নির্দেশনা

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২১-০৮-০৭ ২১:৩০:৪১


এডিস মশাসহ ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার বিস্তার ঠেকাতে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) তার সদস্যদের ১০ টি নির্দেশনা দিয়েছে। শনিবার (৭ আগস্ট) বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বিজিএমইএ সদস্যদের পাঠানো এক চিঠিতে এসব নির্দেশনা দেন।

নির্দেশনাগুলো হলো-

১. ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া একটি ভাইরাসজনিত জ্বর। যার বাহক এডিস মশা। মশা নিয়ন্ত্রণে এর উৎপত্তিস্থল ও প্রজনন উৎসে নজর দিন। যদি পানি জমতে দেওয়া না হয়, তাহলে মশার লার্ভা হতে পারবে না।

২. কারখানা ভবনের বেজমেন্টে পানির ট্যাংক, নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত চৌবাচ্চা, অব্যবহৃত বালতি, পানি রাখার মটকা, ফুলের টব ও টায়ার এসব স্থানে এক নাগাড়ে তিন দিনের বেশি পানি জমতে দেওয়া যাবে না।

৩. ভবনের ছাদ, খোলা আঙিনা ও দুই দালানের মধ্যস্থল যেন স্যাঁতসেঁতে কিংবা পানি জমে না থাকে।

৪. বাথরুমের কমোড, গ্যারেজ এসব স্থান এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজনন স্থল হতে পারে। এসব স্থানে যাতে দুই দিনের বেশি পানি জমতে না পারে তা নিশ্চিত করা।

৫. কারখানা ভবন ও আশপাশের খোলা জায়গা নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা।

৬. কারখানার আশপাশের ঝোপঝাড় পরিষ্কার রাখা।

৭. ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার উপসর্গ সম্পর্কে শ্রমিক-কর্মচারীদের অবহিত করা।

৮. ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া জ্বর হলে অবহেলা করা যাবে রোগাক্রান্ত শ্রমিকদের পরিপূর্ণ বিশ্রামে পাঠানো।

৯. ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে শ্রমিকদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করা। ঘুমানোর সময় তাদের মশারি ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া।

১০. ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার বিস্তার রোধে প্রয়োজনবোধে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় প্রশাসন, স্বাস্থ্য অধিদফতরের সংশ্লিষ্ট স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা নেওয়া।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিজ নিজ বাড়ির পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে ডিএনসিসি মেয়র মো. আতিকুল ইসলামের আহ্বানের সঙ্গে বিজিএমইএ একাত্মতা প্রকাশ করে ঘোষিত কর্মসূচী সফলের অনুরোধ জানায়।

সানবিডি/আরএইচ