একমির বিডিং রেজিস্ট্রেশন শুরু রোববার

|| প্রকাশ: ২০১৬-০১-২৩ ১৭:১৬:০৬ || আপডেট: ২০১৬-০১-২৩ ১৭:১৬:০৬

Acme-Logoবুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার অপেক্ষায় থাকা একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের বিডিংয়ের জন্য ইলিজিবল ইন্সটিউশনাল ইনভেস্টটরদের রেজিস্ট্রেশন শুরু হবে আগামীকাল ২৪ জানুয়ারি রোববার। চলবে ৩১ জানুয়ারি বিকেল ৪টা পর্যন্ত। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্রে আরও জানা গেছে, কোম্পানিটি উপরে উল্লেখিত সময়ের মধ্যে ইলিজিবল ইন্সটিটিউশনাল ইনভেস্টটরদের রেজিস্ট্রেশন শেষ করে এ কোম্পানির বিডিংয়ে অংশগ্রহনের জন্য অনুরোধ করেছে। আর এ জন্য  ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) লিমিটেডের অনুকুলে প্রতিটি বিডিংয়ের জন্য ৫ হাজার টাকা পে-অর্ডার করতে অনুরোধ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার অপেক্ষায় থাকা একমি ল্যাবরেটরিজ লিমিটেডের নিলাম শুরু আগামি ১ ফেব্রুয়ারি।ওইদিন বেলা সাড়ে ৩টায় এ নিলাম শুরু হবে। চলবে ৩ ফেব্রুয়ারি বেলা সাড়ে ৩ টা পর্যন্ত।

জানা যায়, নিলামের মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা যে দাম নির্ধারণ করবে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা ওই দামে শেয়ার কিনবে। এর আগে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা নির্দেশিত মূল্য দিয়েছিল ৮০ টাকা। এই তিন দিনের নিলামে তারা সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ কম বেশি দরে নিলামে অংশ নিতে পারবে। এটি হলে সর্বোচ্চ ৯৬ টাকা ও সর্বনিম্ম ৬৪ টাকা নামতে পারে।

এখানে নির্ধারিত দাম পরবর্তীতে বিএসইসিতে জমা দিতে হবে। বিএসইসি তা অনুমোদন দিলে ওই দামে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা আইপিওতে আবেদন করবে। এর আগে বিএসইসি’র ৫৬১তম সভায় এ কোম্পানিটিকে নিলাম বা বিডিং করার অনুমোদন দেওয়া হয়।

সূত্র মতে, কোম্পানিটি বুক বিল্ডিং পদ্ধতিতে ইলিজিবল ইন্সটিটিউশনাল ইনভেস্টটরদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে পুঁজিবাজারে ৫ কোটি সাধারণ শেয়ার  ইস্যু করবে। বিডিং এর মাধ্যমে ইস্যু মূল্য নির্ধারণ করে পরবর্তীতে প্রসপেক্টাস অনুমোদনের প্রক্রিয়া শুরু হবে।

কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে আসার জন্য গত বছরের ১৪ অক্টোবর রাজধানীর একটি হোটেলে রোড শো করে। রোড-শো অনুষ্ঠিত হওয়ার ৩ দিন পর প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কোম্পানির শেয়ারের চাহিদা এবং নির্দেশক মূল্য জমা দেয় কোম্পানিটি।

প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালের মার্চ মাসে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) বুক বিল্ডিং পদ্ধতির বিধিমালা জারি করে। কিন্তু সফটওয়্যার তৈরির বিলম্বের কারণে এক বছর দেরিতে ২০১০ সালের মার্চ মাসে এ পদ্ধতির প্রয়োগ শুরু হয়। শেয়ারের যৌক্তিক প্রিমিয়াম নির্ধারণে এ পদ্ধতিটি চালু করা হয়। সর্বপ্রথম এ পদ্ধতিতে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় আর এ কে সিরামিকস। কোম্পানিটি পুঁজি উত্তোলন করে ৩টি নতুন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং প্রাথমিক গণ প্রস্তাব (আইপিও) খরচ খাতে ব্যয় করবে।

৩০ জুন ২০১৪ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী, কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ৫ টাকা ৬৫ পয়সা। একই সময়ে শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভিপিএস) হয়েছে ৬৬ টাকা ১৬ পয়সা। কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে আইসিবি ক্যাপিটাল লিমিটেড। আর রেজিস্টার টু দ্য ইস্যু হিসাবে রয়েছে প্রাইম ফাইন্যান্স ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

সানবিডি/ঢাকা/আহো