ভরা মৌসুমেও দক্ষিণাঞ্চলের নদনদীতে ইলিশের আকাল
সান বিডি ডেস্ক প্রকাশ: ২০২১-০৮-২৬ ১৫:১০:৩৯
সুস্বাদু রুপালি ইলিশ আহরণের মাধ্যমে উপকূলীয় অঞ্চলের প্রায় তিন লাখ জেলে পরিবার তাদের জীবিকা নির্বাহ করে। প্রতিবছর রপ্তানির মাধ্যমে আসে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা। তবে মৎস্যকুলরাজ এই ইলিশ নিয়ে উদ্বেগ ও হতাশার চিত্র উঠে এসেছে গবেষণায়। চলমান ভরা মৌসুমেও ইলিশের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত দক্ষিণাঞ্চলের নদনদীতে ইলিশের আকাল চলছে। যা পাওয়া যাচ্ছে, সেগুলোরও গড় আকৃতি বা ওজন কম।
এ বিষয়ে গবেষকদের দেয়া তথ্যমতে, ইলিশ আহরণ পরিকল্পিত বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ার মধ্যে আনতে না পারলে দেশে এ সম্পদ ঝুঁকির মধ্যে পড়বে। তাই ইলিশসহ মৎস্য খাতে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবকে বিবেচনায় নিয়ে ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।
বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বিশ্বব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় ২০১৯ সাল থেকে পরিচালিত হচ্ছে ‘স্টক অ্যাসেসমেন্ট অব কমার্শিয়ালি ইমপরটেন্ট ফিশেস ইন দ্য বে অব বেঙ্গল’ শীর্ষক গবেষণা। গবেষণা দলের প্রধান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মাৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ইয়ামিন হোসেন। তার সঙ্গে ২২ জন রিসার্চ ফেলো যুক্ত রয়েছেন। মাঠপর্যায়ে প্রতিদিন আটজন ইলিশসহ সামুদ্রিক মাছের তথ্য নিচ্ছেন।
ড. ইয়ামিন বলেন, চলতি এবং আগামী বছর দক্ষিণাঞ্চলে ইলিশের উৎপাদন কম হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এর কারণ, ইলিশের প্রজনন ক্ষেত্রগুলো নষ্ট করা হচ্ছে। প্রজননের ‘পিকটাইম’ নির্ধারণে নতুন করে চিন্তাভাবনা করতে হবে।
সানবিডি/এনজে






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













