প্রতিনিয়ত পুঁজিবাজারের কলেবর বৃদ্ধি পাচ্ছে: বিএসইসি কমিশনার
নিজস্ব প্রতিবেদক আপডেট: ২০২১-০৯-০৫ ১৮:৫৭:৩৮
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশনার ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমদ বলেছেন, প্রতিনিয়ত পুঁজিবাজারের কলেবর বৃদ্ধি পাচ্ছে৷ এরই অংশ হিসেবে গতকাল (৪ সেপ্টেম্বর) ৫২টি নতুন ট্রেকহোল্ডার কোম্পানির সনদ প্রদান করা হয়েছে। আর এর ফলে অনুমোদিত প্রতিনিধিদের চাহিদাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
রোববার (৫ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেডের উদ্যোগে আয়োজিত ৫ দিনব্যাপি “কোয়ালিফাই এজ দি অথোরাইজড রিপ্রেজেন্টেটিভস অব ট্রেকহোল্ডার কোম্পানিজ, ডিএসই” শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালার প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীরাই পুঁজিবাজারের মূলশক্তি আর অনুমোদিত প্রতিনিধিগণ হলেন তার অন্যতম মাধ্যম৷ অনুমোদিত প্রতিনিধিগন পুঁজিবাজারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ৷ অনুমোদিত প্রতিনিধিদের মাধমেই বিনিয়োগকারীদের সংযোগ ঘটে এবং তাদের মাধ্যমেই বিনিয়োগকারীগণ বাজার সম্পর্কে জানতে পারেন৷ তাই অনুমোদিত প্রতিনিধিগণের কর্মকান্ড, নৈতিকতা নির্ধারণ করবে বিনিয়োগকারী বাজারে কতটুকু ভাল থাকবে এবং কতটা লাভবান হবেন৷
তিনি আরও বলেন, সঠিক প্রশিক্ষনের মাধ্যমে জ্ঞানার্জনের ফলে পুঁজিবাজারের জন্য অধিক অবদান রাখা সম্ভব৷ এজন্য বিএসইসি আগামীতে আপনাদের জন্য অনলাইনভিত্তিক উন্নত প্রশিক্ষণের আয়োজন করবে। যার মাধ্যমে আপনারা আইন কানুন সম্পর্কে আরও স্পষ্টভাবে অবগত হবেন। বিনিযোগকারীগণ বাজারের মূল শক্তি হলেও তাদেরকে গাইড করার দায়িত্ব আপনাদের। তাই আপনাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব যদি সঠিকভাবে পালন করেন তবে মনে করবো দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে আপনাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করছেন।
তাছাড়াও বিএসইসি দেশব্যাপী বিনিয়োগ শিক্ষা কার্যক্রম ছড়িয়ে দেয়ার জন্য কাজ করছে। এর ফলে সমগ্র দেশে বিনিয়োগকারীগণ প্রশিক্ষিত হবে এবং পুঁজিবাজারের গভীরতা বৃদ্ধি পাবে। পরে তিনি সকলের সাফল্য কামনা করে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচীর উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করেন বিএসইসি’র কমিশনার ড. শেখ শামসুদ্দিন আহমদ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএসইসি’র নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ শফিউল আজম। অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করেন ডিএসই’র সিনিয়র ম্যানেজার ও ট্রেনিং একাডেমির প্রধান মুহাম্মদ রনি ইসলাম।
পরে সিকিউরিটিজ মার্কেটের ধরন, পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রন কাঠামো, পুঁজিবাজারের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো, সিকিউরিটিজের ধরন, বিচার ও সালিশ প্রক্রিয়া, মূলধন ও আইপিও প্রদান সংক্রান্ত নির্দেশিকা, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (তালিকাভুক্তি) প্রবিধান, ২০১৫, মৌলিক এবং ওটিসি/এটিবি/স্মল ক্যাপ মার্কেটের পরিচালন পদ্ধতি, সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ, ১৯৬৯, চুক্তি আইন, ১৮৭২, বিনিয়োগশিক্ষা ও বিনিয়োগকরীদের সুরক্ষা অনুমোদিত প্রতিনিধিদের জন্য আর্থিক সাক্ষরতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন বিএসইসি’র নির্বাহী পরিচালক মোঃ মাহবুবের রহমান চৌধুরী ও মোহাম্মদ রেজাউল করিম, পরিচালক ফারহানা ফারুকী ও আবু রায়হান মোহাম্মদ মুনতাসিম বিল্লাহ এবং অতিরিক্ত পরিচালক শেখ মোঃ লুত্ফুল কবির।
এএ






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













