দেশে পৌঁছালো মেট্রোরেলের আরও ৪ ইঞ্জিন, ৮ বগি

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২১-১০-০২ ১২:৩৮:৩৬


মেট্রোরেলের আরও একটি চালান মোংলা বন্দরে এসে পৌঁছেছে। শনিবার (২ অক্টোবর) আটটি বগি ও চারটি ইঞ্জিনের দুই সেট কোচ নিয়ে সকাল সাড়ে ১০টায় বন্দরের ৯ নম্বর জেটিতে নোঙ্গর করে থাইল্যান্ড পতাকাবাহী জাহাজ ‘এমভি এসপিএম ব্যাংকক’।

গত ১৪ সেপ্টম্বর জাপানের কোবে বন্দর থেকে ছেড়ে আসা এই জাহাজে মেট্রোরেলের বগি ছাড়াও আরও ৩২টি প্যাকেজের সরঞ্জামও এসেছে। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাস্টার কমান্ডার শেখ ফখর উদ্দিন এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

এদিন সকালেই ওই জাহাজ থেকে মেট্রোরেলের বগি ও ইঞ্জিনগুলোর খালাস প্রক্রিয়া শুরু হয়। সন্ধ্যা নাগাদ এসব পণ্য পুরোপুরি খালাস শেষ হবে বলেও জানান হারবার মাস্টার।

বিদেশি জাহাজ ‘এমভি এসপিএম ব্যাংকক’-এর স্থানীয় শিপিং এজেন্ট এনশিয়েন্ট স্টিম শিপ কোম্পানির খুলনার ব্যবস্থাপক মো. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, আগামী মাসে মেট্ররেলের বগি নিয়ে আরও একটি চালান আসার কথা রয়েছে। সব মিলে ২০২২ সালের মধ্যে ১০২টি মেট্রোরেলের বগি ও ইঞ্জিন আসবে বলেও জানান তিনি।

এর আগে চারটি বিদেশি জাহাজে সর্বমোট ৩৪টি মেট্রোরেলের বগি মোংলা বন্দরে এসে পৌঁছায়। এসব বগি সংযোজন হয়ে ইতোমধ্যে বাস্তবে রূপ নিয়েছে। গত ২৯ আগষ্ট উত্তরা থেকে পল্লবী পর্যন্ত স্বপ্নের মেট্রোরেলের পরীক্ষামূলক চলাচল শুরু হয়।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ মুসা বলেন, দেশে আমদানি হওয়া মেট্রোরেলের এসব বগি মোংলা বন্দর দিয়ে খালাস হওয়ার ক্ষেত্রে বন্দরের সক্ষমতার প্রমাণ রয়েছে।

তিনি বলেন, এর আগে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুকেন্দ্রের বিভিন্ন মালামাল ও যন্ত্রাংশ মোংলা বন্দর দিয়ে আসে। ২০১৯-২০২০ সালে বন্দরের আউটার বার ড্রেজিং সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমান বন্দরে ইনার বারের ড্রেজিং চলছে। নাব্য দূর হওয়াতে এখন বড় বড় জাহাজ আসতে পারছে। সবমিলিয়ে এটা একটা প্রতিফলন যে মোংলা বন্দর একটি গতিশীল বন্দর হিসেবে রূপান্তরিত হয়েছে এবং বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

এএ