বিদেশে রফতানি হচ্ছে পাবনার সরিষা ফুলের মধু

নিজস্ব প্রতিবেদক || প্রকাশ: ২০২২-০১-১২ ১৭:২৯:২৭ || আপডেট: ২০২২-০১-১২ ১৭:২৯:২৭

পাবনায় খাঁচা পদ্ধতিতে চাষকৃত মৌমাছির ‍মাধ্যমে সরিষা ফুলের মধু ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।জেলার প্রায় প্রতিটি অঞ্চলেই সরিষা ফুলের মধু সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করছেন মৌ খামারিরা।

জেলার সুজানগর, চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া, আটঘরিয়া উপজেলার প্রতিটি বিল অঞ্চলের সরিষার ক্ষেতের পাশে বসানো হয়েছে মধু সংগ্রহের খাঁচা। কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় ও ব্যক্তি উদ্যোগে শতাধিক মৌ খামারি সরিষা ফুলের মধু সংগ্রহ করছেন। কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, এবার জেলায় প্রায় আড়াইশ টন মধু সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে, যার বাজারদর অন্তত ১০ কোটি টাকা। এই মধু স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে সরবরাহ হচ্ছে বিদেশেও।

জেলার প্রায় প্রতিটি অঞ্চলের কৃষক নিজেদের জমিতে কমবেশি সরিষার আবাদ করে থাকেন। বিশেষ করে বিল অঞ্চলগুলোতে গেলে মাঠজুড়ে সরিষা ফুলের হলুদের সমারোহে দৃষ্টি জুড়িয়ে যাবে। বিগত দিনগুলোর চেয়ে বর্তমানে সরিষার আবাদ ও ফলন বৃদ্ধি পেয়েছে। এর অন্যতম কারণ ফসলের মাঠের পাশে মৌমাছির খামার। এই মৌমাছি মধু সংগ্রহ করতে গিয়ে পরাগায়ন ঘটাচ্ছে ফসলের। এ কারণে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি ফলন পাচ্ছেন কৃষকরা। তাই খাঁচায় মৌমাছি দিয়ে মধু সংগ্রহের মাধ্যমে একদিকে যেমন বহু পুষ্টিগুণসম্পন্ন মধু পাওয়া যাচ্ছে, অন্যদিকে চাষিদের ফলনও বৃদ্ধি পাচ্ছে বহুগুণ।

এ বিষয়ে পাবনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, মধু পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ শক্তিবর্ধক ও সর্বরোগের মহৌষধ। পাবনা জেলা যেহেতু কৃষিসমৃদ্ধ অঞ্চল, এখানে শীতের এই সময়ে সরিষার আবাদ ব্যাপক হয়ে থাকে। আর এই সরিষা ফুল থেকে মৌ খামারিরা মধু সংগ্রহ করে থাকেন। চাষকৃত বিশেষ জাতের এই মৌমাছি সরিষা ফুল থেকে মধু সংগ্রহ করে খাঁচায় নিয়ে জমা করেন।

সানবিডি/এনজে