সিমটেক্সের আইপিও লটারি চলছে

|| প্রকাশ: ২০১৫-১০-০৬ ১৩:১৬:০৪ || আপডেট: ২০১৫-১০-০৬ ১৩:১৬:০৪

Simtex-IPO_2প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) আবেদন শেষ হওয়া সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের লটারি ড্র চলছে।

সকাল ১১ টায় রাজধানীর মহাখালীতে অবস্থিত রাওয়া কনভেনশন সেন্টারের হেলমেট-১ হলে এ লটারি শুরু হয়েছে। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সিদ্দিকুর রহমান।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত রয়েছেন কোম্পানির পরিচালক উজ্জল কুমার নন্দি, নির্বাহী পরিচালক এম এ শাজাহান, ইস্যু ম্যানেজার এএফসি ক্যাপিটাল ও পোস্ট ইস্যু প্রতিষ্ঠান ইউকাস্ট বিডির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহবুব এইচ মজুমদার, ইস্যু ম্যানেজার ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সালাউদ্দিন সিকদার, কোম্পানির প্রধান অর্থ কর্মকর্তা আশিস কুমার এবং কোম্পানি প্রান্তোস।

জানা গেছে, কোম্পানিটি প্রাথমিক শেয়ারহোল্ডার নেওয়ার জন্য গত  ৬ সেপ্টেম্বর থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবদেন গ্রহণ করে। দেশি ও প্রবাসী উভয় বিনিয়োগকারীর জন্য এই সময় নির্ধারণ করা হয়।

আরও জানা গেছে, আইপিও আবেদন শেষ হওয়া সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের লিমিটেডের ১৬ দশমিক ৫১ গুণ আবেদন জমা পড়েছে। ৬০ কোটি টাকার বিপরীতে ৯৯০ কোটি ৭০ লাখ ২০ হাজার টাকার আবেদন জমা পড়েছে।

নির্ধারিত সময়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আবেদন আসে ১০ লাখ ৫৯ হাজার ২৪১টি, প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আসে ৩৯ হাজার ৫৩৮টি, ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে আসে ১ লাখ ২৩ হাজার ৭২৪টি এবং মিউচ্যুয়াল ফান্ডের আবেদন পড়ে ৩৬টি। সব মিলিয়ে টাকার পরিমাণ  ৯৯০ কোটি ৭০ লাখ ২০ হাজার।

কোম্পানিটিকে পুঁজিবাজার থেকে ৬০ কোটি টাকা তোলার অনুমোদন দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। এ হিসেবে কোম্পানির আইপিওতে আবেদন পড়েছে ১৬ দশমিক ৫১ গুণ।

এর আগে, বিএসইসির ৫৫৩তম সভায় এ কোম্পানির আইপিও অনুমোদন দেওয়া হয়। কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে ৩ কোটি শেয়ার ছেড়ে ৬০ কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। কোম্পানিটিকে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের সাথে ১০ টাকা প্রিমিয়ামসহ ২০ টাকা মূল্যে শেয়ার ইস্যুর অনুমোদন দিয়েছে কমিশন।

২০১৪ সালের ৩০ জুন শেষ হওয়া হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী সিমটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৩৩ পয়সা। নেট এসেট ভ্যালু (এনএভি) হয়েছে ১৯ টাকা ৬০ পয়সা ।

জানা গেছে, কোম্পানিটি পুঁজিবাজার থেকে টাকা সংগ্রহ করে মূলধনী বিনিয়োগ, ব্যাংক ঋণ পরিশোধ, চলতি মূলধন অর্থায়ন ও আইপিওর কাজে ব্যয় করবে।