‘বিএনপি গণতান্ত্রে অবদান রাখতে পারবে বলে মনে হয় না’

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২২-০৩-২৪ ১৫:১১:১৪


আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, গণতান্ত্রিক উপায়ে বিএনপিসহ যে কোন রাজনৈতিক দলকেই জনগণের ম্যন্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় যেতে হবে। সুতরাং আবারও নির্বাচন পরিহারের যে ধ্বংসাত্মক পথ বেছে নিয়েছে বিএনপি তা থেকে গণতান্ত্রিক পথে ফিরে আসার কোনো বিকল্প নেই।

বৃহস্পতিবার (২৪ মার্চ) সকালে সচিবালয়ে নিজ দফতরে ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, এ সত্য আজ দিবালোকের মত স্পষ্ট যে বিএনপি একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে সময়ের পরিবর্তনের সাথে জনগণের মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তনকে বুঝতে সক্ষম হয় নাই। বাংলাদেশ বা দেশের জনগণ আর সেই আগের অবস্থানে নেই যে চাইলেই কেউ ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতা ছিনতাই করে নিবে। গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ক্ষমতা পরিবর্তনের একমাত্র পন্থা হলো সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী অনুষ্ঠিত নির্বাচন।

তিনি বলেন, বিরোধী মতকে দমনের উদ্দেশে তারেক রহমানের প্রত্যক্ষ মদদে ২১ আগস্ট নারকীয় গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। যার প্রাইম টার্গেট ছিলেন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক চেতনার কেন্দ্রবিন্দু বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা।

আজকে সেইসব অমোচনীয় পাপের জন্য বিএনপিরই উচিত আওয়ামী লীগ এবং দেশবাসী বিশেষ করে শেখ হাসিনার কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়া- এমন দাবি করে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিতে কোনো অবদান রাখতে পারে বা পারবে এমন মনে হয় না।

ওবায়দুল কাদের বিএনপিকে তার অতীত দুস্কর্মের জন্য ক্ষমা চেয়ে রাজনীতি করার দাবি করতে হবে জানিয়ে বলেন, বিএনপি যখনই ক্ষমতায় এসেছে তখনই এদেশের গণতান্ত্রিক চেতনা ও অসাম্প্রদায়িক মূল্যবোধকে আহত করেছে। ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নজিরবিহীন অত্যাচার – নির্যাতন চালানো, ধর্ষণকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার, আওয়ামী লীগের ২১ হাজার নেতাকর্মীদের হত্যার পাশাপাশি হাজার হাজার নেতাকর্মীদের আহত করেছে এবং রাজনৈতিক মামলা দিয়েছিল উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, সেই নিষ্ঠুর সময়ের দুঃসহ স্মৃতি দেশবাসী এখনো ভুলে যায়নি।

আওয়ামী লীগ নাকি পালাবার পথ পাবে না, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের পরিস্কারভাবে বলেন, অন্ধকারের চোরাগলি দিয়ে পালাবার খারাপ নজির স্থাপন করেছে একমাত্র বিএনপি।