ইন্দো প্যাসিফিক কৌশলে বাংলাদেশকে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২২-০৪-০১ ১৯:৫৭:৫৬


ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলের (আইপিএস) সাত ধাপেই কাজ করার সুযোগ থাকার কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশকেও এতে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ইউরোপীয় জোটের ইন্দো-প্যাসিফিক বিষয়ক বিশেষ দূত গাব্রিয়েলে ভিসেন্তিন।

শুক্রবার (১ এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত ‘ডিক্যাব টক’ এ অংশ নিয়ে গাব্রিয়েলে ভিসেন্তিন বলেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি, সাতটি লক্ষ্যের সবকটিতে ভূমিকা রাখতে পারে বাংলাদেশ।

তিনি বলেন, যখন বাংলাদেশ উন্নত দেশের দিকে যাচ্ছে, তখন আমাদের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি অর্থনৈতিক সম্পর্ককে গভীর করতে হবে। বাংলাদেশ এটাকে একটা খোলামেলা আমন্ত্রণ হিসেবে নিতে পারে বলেও জানান তিনি।

টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমৃদ্ধি, সবুজায়ন, সমুদ্রে সুশাসন, ডিজিটাল সুশাসন ও অংশীদারিত্ব, কানেক্টিভিটি, নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা এবং মানবিক নিরাপত্তা- এ সাতটি লক্ষ্য নিয়েই কাজ করছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলের (আইপিএস)। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠায় গত বছর ইইউ এই কৌশল নির্ধারণ করে।

ভিসেন্তিন বলেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানতে চেয়েছেন, ইইউর সার্বজনীন নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা নীতিতে কিভাবে অংশগ্রহণ করা যাবে। ইইউর দেশি অসামরিক ও সামরিক মিশনে অনেক ধরনের উদ্যোগ আছে, যেটাতে অংশগ্রহণ করা যায়, যা উন্মুক্ত ব্যাপার। যৌথ মহড়ার মতো কার্যক্রম এতে আছে। ভিয়েতনামের সঙ্গে আমাদের এমন একটি সমন্বিত সহযোগিতার চুক্তি আছে, যেটা বাংলাদেশও অনুসরণ করতে পারে।

মেরিটাইম নিরাপত্তা ও সেখানে অপরাধ পর্যবেক্ষণের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের তৈরি ‘ক্রিমারিও’ সফটওয়্যার বাংলাদেশের ব্যবহারের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে বলে উল্লেখ করেন ভিসেন্তিন।