মিয়ানমার থেকে ফিরেছে আরো ১০৩ বাংলাদেশি

প্রকাশ: ২০১৫-১০-১২ ১৯:২২:৪১


rlLEo9DyxI3kঅবৈধ সাগর পথে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার সময় মিয়ানমানের নৌবাহিনীর হাতে আটক হওয়া ১০৩ জন বাংলাদেশীকে সোমবার দুপুরে ঢেকিবনিয়া সীমান্তে পতাকা বৈঠক শেষে মিয়ানমার থেকে ফেরৎ আনা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে বান্দরবানের নাইক্ষ্যাংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তের জিরো পয়েন্টের বিপরীতে মিয়ানমারের ঢেঁকিবনিয়ায় ইমিগ্রেশন এন্ড ন্যাশনাল রেজিষ্ট্রি ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে বিজিবির ৬ষ্ট দফায় পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তাদের ফেরত আনা হয় বলে জানান বিজিবি কক্সবাজার সেক্টর কমান্ডার কর্ণেল এম. আনিসুর রহমান।

সোমবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে মিয়ানমারের যান কক্সবাজারস্থ বিজিবি ৩১ ব্যাটলিয়ানের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর ইমরান উদ্দিন সরকারের নেতৃত্বে বিজিবি, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, ইমিগ্রেশন বিভাগের প্রতিনিধির সমন্বয়ে ২১ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এর ন্যাশনাল প্রোগাম অফিসার আসিফ মুনীর জানান, ফেরত আনা বাংলাদেশীদের কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে আনা হয়। সেখানে যাচাই বাছাই শেষে এসব অভিবাসিকে বাড়ী পৌঁছে দেয়া পর্যন্ত খাদ্য, চিকিৎসা ও যাতায়ত খরচ সহ সব ধরণের মানবিক সহায়তা আইওএম’র পক্ষ থেকে প্রদান করা হবে। আসিফ মুনীর আরো জানান, ফেরত আনা ১০৩ বাাংলাদেশীদের মধ্যে ৫ জন শিশু-কিশোর রয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ২১ মে মিয়ানমারের জলসীমা থেকে সাগরে ভাসমান অবস্থায় ২০৮ জন এবং ২৯ মে আরো ৭২৭ জন অভিবাসী প্রত্যাশীদের উদ্ধার করে দেশটির নৌ-বাহিনী। উদ্ধার হওয়া এসব অভিবাসন প্রত্যাশীদের মিয়ানমার প্রথম থেকে বাংলাদেশী নাগরিক বলে দাবি জানিয়ে আসছিল। এদের মধ্যে বাংলাদেশী হিসেবে শনাক্ত হওয়াদের মধ্যে পৃথক পৃথক পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ৮ জুন, ১৯ জুন, ২২ জুলাই ও ১০ আগষ্ট চার দফায় দেশে ফেরত আনা হয় ৫০১ জনকে। এছাড়া পঞ্চম দফায় আনা হয় ১২৫ জন। এ পর্যন্ত দেশে ফিরে আনা হয়েছে ৬২৬ জনকে। ৬ষ্ঠ দফায় আরো ১০৩ জন বাংলাদেশি অভিবাসীকে ফিরিয়ে দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন ঘুমধুম বিজিবির নায়েব সুবেদার ছিদ্দিক আহমদ।

সানবিডি/ঢাকা/রাআ

Print Print