‘ধীরে ধীরে কৃষিতে ভর্তুকি দেওয়া থেকে সরে আসা উচিত’

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২২-০৬-০৪ ১৮:৩৪:১৭


ধীরে ধীরে কৃষিতে ভর্তুকি দেওয়া থেকে সরে আসা উচিত। কারণ গ্রামের অনেক পরিবর্তন হয়েছে। গ্রামে বাড়ি ঘরের রূপ পরিবর্তন হয়েছে, খাওয়া-পড়ার বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন হয়েছে, ছেলে-মেয়েরা শিক্ষিত হচ্ছে। তাই এখন ধীরে ধীরে এই ভর্তুকি থেকে বেরিয়ে আসা উচিত।

শনিবার (৪ জুন) কারওয়ান বাজার সিএ ভবনে ‘সম্প্রতিক সময়ে সামষ্টিক অর্থনীতি: বাংলাদেশ প্রেক্ষিত’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় এসব কথা বলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। ইনিস্টিটিউট অফ চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি) ও ইকোনোমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) যৌথভাবে এ সভার আয়োজন করে।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, আমি কৃষকের সন্তান। কৃষকরাই আমার আত্মীয়, ভোটার সবকিছু। আমি মনে করি ধীরে ধীরে কৃষিতে ভর্তুকি দেওয়া থেকে সরে আসা উচিত। কারণ গ্রামের অনেক পরিবর্তন হয়েছে। গ্রামে বাড়ি ঘরের রূপ পরিবর্তন হয়েছে, খাওয়া-পড়ার বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন হয়েছে, ছেলে-মেয়েরা শিক্ষিত হচ্ছে। সরকারের অবদানের কারণেই এই পরিবর্তন হয়েছে। সারসহ কৃষিতে সরকারের ভর্তুকির ফলেই গ্রামে কৃষকের অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। তাই এখন ধীরে ধীরে এই ভর্তুকি থেকে বেরিয়ে আসা উচিত।

শ্রীলঙ্কা ভীতি রয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, কৃষিতে ভর্তুকি খাদ্য নিরাপত্তার জন্য দেওয়া হয়। শ্রীলঙ্কাও অর্গানিক কৃষিতে গিয়েছিল, ফেল করেছে। তাই খাদ্য নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে কৃষিকে সব সময় আমরা গুরুত্ব দিয়ে থাকি। এ বিষয়ে সরকার সবসময় সচেতন রয়েছে।

অপচয়রোধ প্রসঙ্গে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, আমি একনেক মাঠে, আমি কাজ করি। সরকার প্রধানের নির্দেশে আমরা অপচয় রোধ করতে কাজ করছি। মাঝে মধ্যে কিছু কিছু ক্ষেত্রে আয়েশিভাব চলে আসছিলো। বর্তমান পরিস্থিতিতে সেটা আমরা রোধ করার চেষ্টা করছি। এখন ১৮শ প্রকল্প আছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগের মাধ্যমে এগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাস্তবায়ন করা হবে। অর্থাৎ গুরুত্ব অনুসারে এই প্রকল্পগুলোকে সাজানো হবে। কোনটা আগে প্রয়োজন কোনটা পরে আবার কোনটা এখন প্রয়োজন নেই সেটা বের করা হবে।