হিলিতে ১১ মাসে ২১ কোটি ৮০ লাখ টাকা রাজস্ব ঘাটতি

নিজস্ব প্রতিবেদক আপডেট: ২০২২-০৬-১১ ১৫:৪৮:২২


দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে চলতি অর্থবছরের ১১ মাসে (জুলাই ’২১-মে ’২২) রাজস্ব আহরণে ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২১ কোটি ৮০ লাখ টাকা। তবে সদ্যসমাপ্ত মে মাসে ৯ কোটি ৮২ লাখ টাকা বাড়তি রাজস্ব আয় হয়েছে। এ সময় ২৭ কোটি ৬৬ লাখ টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রাজস্ব আদায় করা হয়েছে ৩৪ কোটি ২১ লাখ টাকা। কাস্টমস কর্তৃপক্ষ জানায়, চালসহ অন্যান্য পণ্যের আমদানি হ্রাসের কারণে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হয়নি। ব্যবসায়ীরা জানান, অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলে বন্দরের রাজস্ব আহরণ বাড়বে।

এ বিষয়ে হিলি স্থল শুল্ক স্টেশন কার্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২০-২১ অর্থবছরে হিলি স্থলবন্দরে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার বাড়তি ৮৭ কোটি টাকা রাজস্ব আহরণ হয়। যার কারণে চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে ৪৫৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা নির্ধারণ করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। চলতি অর্থবছরের এগারো মাসে হিলি স্থলবন্দর থেকে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪০৯ কোটি ৪২ লাখ টাকা, বিপরীতে আহরণ হয়েছে ৩৮৭ কোটি ৬২ লাখ টাকা। লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রাজস্ব আহরণ কম হয়েছে ২১ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

হিলি স্থলবন্দর আমদানি রফতানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, কিছুদিন থেকে ভারত অভ্যন্তরে ওভারলোডিং বন্ধ করায় বন্দর দিয়ে পণ্য আমদানির ধারা কমে গিয়েছে। বিশেষ করে বন্দর দিয়ে ১০০ ট্রাকের ওপরে পাথর আমদানি হতো এখন সেখানে ৭০-৮০ ট্রাক করে পাথর আমদানি হয়। যার কারণে রাজস্ব ঘাটতি দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে, ডলার রেট ৮৯ টাকা ২৫ পয়সা থেকে বেড়ে ৯২ টাকা ৯৩ টাকা হয়েছে, ফলে আগে খোলা এলসি বিল পরিশোধের সময় ডলারের বাড়তি মূল্যে বিল পরিশোধ করতে হচ্ছে। যার কারণে অনেক আমদানিকারক এলসি খুলছেন না।

সানবিডি/এনজে