বহ্মপুত্র-ধরলা,তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২২-০৬-১৯ ১৩:০৩:২৭


কুড়িগ্রামের উলিপুরের ব্রহ্মপুত্র,ধরলা , তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে অব্যাহত পানি বৃদ্ধির ফলে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। সেই সঙ্গে শুরু হয়েছে তীব্র ভাঙন। এতে বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তা নদী বেষ্টিত উপজেলার দলদলিয়া, থেতরাই, গুনাইগাছ বজরা, বেগমগঞ্জ, বুড়াবুড়ি, হাতিয়া ও সাহেবে আলগা ইউনিয়নের প্রায় ১৫ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। বন্যা কবলিত মানুষ ঘর-বাড়ি ছেড়ে উঁচু ও নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিচ্ছেন। বয়োবৃদ্ধ ও শিশুদের নিয়ে চরম বিপাকে পড়ছেন বন্যার্তরা। বিশুদ্ধ পানি ও শুকনো খাবারের সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। এছাড়াও বীজতলা, পাট ক্ষেতসহ রবি-শস্য পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। কাঁচা-পাকা সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় স্বাভাবিক চলাচল ব্যহত হচ্ছে।

হাতিয়া ইউপি চেয়ারম্যান শায়খুল ইসলাম নয়া বলেন, বন্যার পানিতে এ ইউনিয়নের বেশিরভাগ এলাকা তলিয়ে গেছে। রাস্তাঘাটে পানি উঠায় মানুষজনের চলাচল করতে কষ্ট হচ্ছে। বন্যা কবলিতদের সার্বিক খোঁজ-খবর নেয়া হচ্ছে। লোকজনকে নিরাপদ জায়গায় আসার জন্য বলা হচ্ছে।

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্র জানায়, রবিবার ব্রহ্মপুত্র নদের পানি নুনখাওয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ১৩ সে.মি, চিলমারী পয়েন্টে বিপদসীমার ৩৪ সে.মি. ও ধরলা নদীর পানি কুড়িগ্রাম সদর পয়েন্টে বিপদসীমার ২৮ সে.মি উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে তিস্তা নদীর পানি কাউনিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ৩২ সে.মি নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সিরাজুদ্দৌল্লা বলেন, এ পর্যন্ত ৫০ মেট্রিক টন চাল ও দেড় লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এছাড়াও শিশু খাবার ৫০ হাজার, গো-খাদ্যের জন্য দেড় লাখ টাকা পাওয়া গেছে। দ্রুত বন্যা কবলিত এলাকায় ত্রাণ কার্যক্রম শুরু হবে বলেও জানান তিনি।

সানবিডি/এনজে