বাংলাদেশের উন্নয়নে গবেষকদের ভূমিকা রয়েছে: রাবি উপ-উপাচার্য
আপডেট: ২০১৬-০৩-০৫ ১০:৪৯:২২
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) উপ-উপাচার্য অধ্যাপক চৌধুরী সারওয়ার জাহান বলেন, বাংলাদেশের কোনো না কোনো সমস্যা নিয়ে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজের গবেষকরা গবেষণা করেন। প্রাসঙ্গিক সমস্যা থেকে উত্তরণের পথ তাদের গষেণায় নিদের্শিত হয়। এসব গবেষণার ফলাফল দেশে বিদেশে প্রকাশিত হয়, প্রশংসিত হয় এবং জাতীয় নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। এম ফিল পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করার পরেও তারা তাদের গবেষণাকর্ম অব্যাহত রাখেন। এসব গবেষণা বাংলাদেশ বিষয়ক জ্ঞানের ক্ষেত্রে বহু নতুন ধারনার জম্ম দেয়। বাংলাদেশ যে ক্রমে উন্নতির দিকে অগ্রসর হচ্ছে, তার পেছনে সংশ্লিষ্ট গবেষকদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভূমিকা রয়েছে।
শুক্রবার সকাল ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে প্রথম অধিবেশনে সম্মেলনের উদ্বোধনকালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজের (আইবিএস) অ্যালামনাই সম্মেলন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
অনুষ্ঠানে অধ্যাপক চৌধুরী সারওয়ার জাহান বলেন, ‘অ্যালামনাই সম্মেলন নবীন-প্রবীনদের মধ্যে একটি মেলবন্ধন। তাই আমরা এ সম্মেলনকে মেলবন্ধনের তীর্থস্থান বলি। সময়ের প্রেক্ষাপটে সব স্মৃতি ঝাপসা হয়ে আসে। তবে কিছু কিছু স্মৃতি থাকে যেগুলো ভোলা যায় না।’ এ সম্মেলনে আপনারা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্মৃতি ও ভাবের আদান প্রদান করবেন বলে আশাব্যাক্ত করেন তিনি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইন্সিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক স্বরোচিষ সরকারের সভাপতিত্বে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন ইন্সটিটিউট সাবেক পরিচালক অধ্যাপক সফর আলী আকন্দ, অধ্যাপক মাহমুদ শাহ কোরেশী, অধ্যাপক আতফুল হাই কোরেশী, অধ্যাপক এম জয়নুল আবেদীন, অধ্যাপক আবুল বাসার মিঞা, অধ্যাপক মাহবুবর রহমান ও অধ্যাপক শহীদুল্লাহ। এ অধিবেশনে ইন্সটিটিউট থেকে পিএইচডি ও এমফিল ডিগ্রিপ্রাপ্তদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় অধিবেশনে ইন্সটিটিউটের সেমিনার কক্ষে বিকেল ৩টায় আইবিএসের দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। পরে একই জায়গায় তৃতীয় অধিবেশনে সাড়ে ৬টায় একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, ইন্সটিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণামূলক প্রতিষ্ঠান। এই ইন্সটিটিউট বাংলাদেশ সম্পর্কীত উচ্চতর একমাত্র গবেষণা প্রতিষ্ঠান। দেশের ইতিহাস, ভূগোল, অর্থনীতি, রাষ্ট্রনীতি, সমাজনীতি, নৃতত্ত্ব, ভাষা, সংস্কৃতি, দর্শন প্রভৃতি বিষয়ে উচ্চতর গবেষণার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়। গবেষকদেরকে বাংলাদেশের জীবন ও সমাজের সঙ্গে বিশেষভাবে সম্পর্কযুক্ত বিষয়ে এমফিল ও পিএইচডি ডিগ্রি প্রদান করা হয়।
সানবিডি/ঢাকা/হৃদয়/এসএস






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













