নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সমুদ্রে চলছে মাছধরার উৎসব
নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০২২-০৬-৩০ ১৩:০২:৩৮
গত ২১ মে থেকে বঙ্গোপসাগরে চলছে মাছধরার ওপর ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা। তবে সরকারি এ নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সমুদ্রে চলছে জেলেদের মাছ শিকারের উৎসব। নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ড, থানা পুলিশ ও মৎস্য কর্মকর্তাদের সামনেই মাছধরা, বিক্রি এবং বাজারজাত করা হচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে। জেলেদের আহরিত এসব মাছ পরিবহন ও খোলা বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে প্রকাশ্যেই। সমুদ্রে জেলেদের অবাধ বিচরণ চললেও মৎস্য কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ঠ প্রশাসনের নিরবতায় জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। মৎস্য সম্পদ রক্ষায় সরকারের নির্দেশনাকে অমান্য করে জেলেদের মাছ শিকারে সহায়তা করার অভিযোগ উঠেছে খোদ মৎস্য কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। নৌ পুলিশ ও কোস্টগার্ডের বিরুদ্ধেও রয়েছে অভিযোগ। মাঝে মধ্যে অভিযানের নামে নাটক চলছে বলে অভিযোগ উপকূলবাসীর।
জেলার কুয়াকাটা, মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র আলীপুর-মহিপুর, পাথরঘাটা, ফকিরহাট, আশাখালী, রাঙ্গাবালী, মৌডুবী, চর মোন্তাজ, ভোলার চর এলাকাসহ উপকূলীয় অঞ্চলে এসব চিত্র দেখা গেছে। অবরোধে সমুদ্রে মাছ শিকারের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রশাসন দুষছে মৎস্য কর্মকর্তাদের। অপরদিকে মৎস্য কর্মকর্তারা দুষছেন প্রশাসনকে।
দেখা গেছে, আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে আড়ৎঘাটে ইলিশ, তপসী, পোয়া, লইট্যা, ডাডিসহ সামুদ্রিক মাছের স্তুপ। আহরিত মাছের চলছে বাছাই প্রক্রিয়া। যথারীতি হাঁক ডাকে ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে মাছগুলো। অধিক দরদাতা চালানি কারবারীরা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এসব মাছ পাঠাতে প্রক্রিয়াজাতকরণসহ পরিবহনে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
নিয়মমাফিক রাজস্ব আদায়ের কাজ করছেন আলীপুর মৎস্য আবতরণ কেন্দ্রর আদায়কারী কর্মকর্তারা। দেশের সমুদ্র সীমানায় ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞাকালীন সময় সমুদ্রে মাছ শিকার, সংরক্ষণ ও বিপণন সব কিছুই চলছে প্রকাশ্যে দিবালোকে। একই অবস্থা সরকারি দুটি মৎস্য অবতরণকেন্দ্রসহ কুয়াকাটা পৌর মার্কেট, ধুলাসার, বাবলাতলা, বালিয়াতলী, চরচাপলী, আশাখালীও গঙ্গামতি এলাকার সামুদ্রিক মাছের আড়তঘাটে।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এসএম আজাহারুল ইসলাম বলেন, আমি নতুন যোগাদান করেছি। নিষোধাজ্ঞা কার্যকর করতে মাঠ পর্যায় কাজ করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন।
সানবিডি/এনজে






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













