এশিয়ায় রেকর্ড সর্বোচ্চে উঠেছে এলএনজির দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক || প্রকাশ: ২০২২-০৮-০৩ ১৩:১৮:২৩ || আপডেট: ২০২২-০৮-০৩ ১৩:১৮:২৩

চাহিদা কমলেও গত সপ্তাহে এশিয়ার স্পট মার্কেটে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) দাম এ বছরের মধ্যে রেকর্ড সর্বোচ্চে উঠেছে। তবে শীর্ষ এলএনজি ব্যবহারকারী অঞ্চলটিতে অব্যাহত কমছে। মূলত ইউরোপে রাশিয়ান গ্যাসের তীব্র সংকট এশিয়ায় দুর্বল চাহিদা সত্ত্বেও দাম বাড়াতে সহায়তা করছে।

তথ্য বলছে, গত ২৯ জুলাই প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির স্পট মূল্য ছিল ৪২ ডলার ৫০ সেন্ট। এ বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা চালানোর পর লাফিয়ে বাড়তে শুরু করে এলএনজির দাম। ৪ মার্চ জ্বালানিটির দাম রেকর্ড সর্বোচ্চে ওঠে। প্রতি এমএমবিটিইউর মূল্য দাঁড়ায় ৪০ ডলার ৫০ সেন্টে। তবে গত সপ্তাহে এ রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে এলএনজি।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর এশিয়ার বাজারে প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম ৪৮ ডলার ৩০ সেন্টে উঠেছিল। গত বছরের জন্য এটিই ছিল রেকর্ড সর্বোচ্চ। এ বছরের এখন পর্যন্ত জ্বালানিটির দাম সে পর্যায়ে যায়নি। তবে গত বছরের একই সপ্তাহের (জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহ) তুলনায় দাম ১৬০ শতাংশ বেড়েছে। ২০২০ সালের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে ১ হাজার ৪০০ শতাংশ।

স্বাভাবিকভাবে চাহিদা বাড়লে দাম বাড়ার কথা থাকলেও এশিয়ার বাজারে ঘটছে তার উল্টো। সংশ্লিষ্টরা জানান, চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত এশিয়ায় এলএনজি আমদানি অব্যাহত কমেছে। কিন্তু সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে দাম।

পণ্যবাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান কেপলার জানায়, এশিয়া অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ এলএনজি ক্রেতা দেশ চীন। জুলাইয়ে দেশটি প্রাথমিকভাবে ৫১ লাখ ২০ হাজার টন এলএনজি ক্রয় করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সে হিসাবে আমদানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৪ দশমিক ১ শতাংশ কমেছে।  কেপলারের প্রাক্কলন অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে চীন ৩ কোটি ৬৫ লাখ ৩০ হাজার টন এলএনজি আমদানি করেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় আমদানি ১৯ দশমিক ৬ শতাংশ বা ৮৮ লাখ ৯০ হাজার টন কমেছে।

এনজে