কুবিতে ছাত্রলীগের এক কর্মীকে পেটালো অন্যকর্মীরা

প্রকাশ: ২০১৬-০৩-১১ ২০:৩৫:৫৬


comilla_103714কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ কর্মীকে মারধর করলেন একই সংগঠনের অন্য কর্মীরা। শুক্রবার বিকালে কাজী নজরুল ইসলাম হলের সামনে মারধরের এ ঘটনা ঘটে। আহত ছাত্রলীগ কর্মীকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে প্রেরণ করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকাল পাঁচটায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ছাত্রলীগ কর্মী ও অর্থনীতি বিভাগের ৮ম ব্যাচের শিক্ষার্থী মাসুদ আলম কাজী নজরুল ইসলাম হলের সামনে চায়ের দোকানে যায়। এ সময় মাসুদের সাথে কাজী নজরুল ইসলাম হলের ছাত্রলীগ কর্মী গোলাম দস্তগীর ফরহাদ (গনিত ৭ম ব্যাচ), স্বজন বিশ্বাস (নৃবিজ্ঞান ৭ম ব্যাচ), সাইফুল ইসলাম (মার্কেটিং ৭ম ব্যাচ), মেজবাহ উদ্দিনের (গনিত ৭ম ব্যাচ) সাথে বাকবিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। এ সময় মাসুদকে তারা লাঠি দিয়ে পায়ে, হাতে ও পিঠে আঘাত করে। বেদড়ক মারধরে মাসুদের হাতের কনুই ও পা রক্তাক্ত হয়। পরে প্রত্যক্ষদর্শীরা মাসুদকে উদ্ধার করে বঙ্গবন্ধু হলে নিয়ে আসে। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে নজরুল হলের সামনে থেকে মাসুদকে ধাওয়া করে তারা।
জানা যায়, বেশ কিছু দিন আগে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কাজী নজরুল ইসলাম হলে ফরহাদ মাসুদকে চড়থাপ্পড় দেয়। পরে মাসুদ বন্ধুদের নিয়ে ফরহাদকে মারধর করে। ঐ পুঞ্জিবুত ক্ষোভের বহি:প্রকাশে শুক্রবারে ফরহাদ তার বন্ধুদের নিয়ে মাসুদকে মারধর করে বলে ধারণা করা হয়।
এ বিষয়ে ফরহাদ ও স্বজনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তারা মাসুদকে মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করেন। মাসুদ ঐ সময় প্রথমে ফরহাদকে মারধর করে বলে জানান তারা।
আহত মাসুদ আলম বলেন, ‘নজরুল হলের সামনে চায়ের দোকানে গেলে ফরহাদ, স্বজন, সাইফুল, মেজবাহসহ তাদের বন্ধুরা আমাকে মারধর করে। এর আগের দিন রাতে আমাকে ধাওয়া করে তারা।’
ছাত্রলীগ নেতা ইলিয়াস হোসেন সবুজ ও সাধারণ সম্পাদক রেজা-ই-এলাহী বলেন, ‘মারধরের বিষয়টি আমরা জেনেছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এ বিষয়য়ে প্রক্টর মো: আইনুল হক বলেন, ‘আমি ঘটনাটি শুনেছি এবং হল প্রশাসনকে জানিয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’