আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলায় প্রেমিকাকে নিয়ে স্ত্রীকে হত্যা
জেলা প্রতিনিধি আপডেট: ২০২২-০৮-০৯ ২০:৫০:৩৯
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় পরকীয়ার জেরে স্ত্রী শাম্মী আক্তারকে (৪০) বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেছে স্বামী। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে সাইম আলম (১৭) বাদী হয়ে সৎ বাবা ও তার পরকীয়া প্রেমিকাকে আসামি করে সোমবার রাতে মঠবাড়িয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। পরে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন-স্বামী সিরাজুল সালেকিন (৩০) ও স্কুলশিক্ষিকা আয়শা খানম রোজি (৫০)। আয়শা খানম রোজি বাগেরহাটের শরনখোলা উপজেলার রাজাপুর গ্রামের এমাদুল হকের স্ত্রী। আর সিরাজুল লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার দরবেশপুর গ্রামের শেখ মোহাম্মদ আলীর ছেলে।
থানা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নারী উদ্যোক্তা শাম্মী আক্তার কেএম লতীফ সুপার মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় ১০ বছর ধরে একটি পার্লারের ব্যবসা করে আসছিলেন। প্রথম স্বামী ফিরোজ আলমের সাথে প্রায় ১৩ বছর আগে বিচ্ছেদ হয় তার। এরপর সেই সংসারের দুই সন্তান নিয়ে মঠবাড়িয়া পৌর শহরের থানা পাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। দুই বছর আগে বিয়ে হওয়া দ্বিতীয় স্বামী সালেকিন ঢাকায় ব্যবসা করেন।
গত রোববার নিজের বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষে সালেকিন ওইদিন সকালে বাসায় আসেন। এ উপলক্ষে তার নিকট আত্মীয় শিক্ষিকা আয়শা খানমও সেখানে আসেন। রাতে শাম্মী আক্তার স্বামীকে নিয়ে ঘরের পেছনের বারান্দায় ঘুমিয়ে পড়েন। আর ভাবি আয়শা খানম মাঝের ঘরে ঘুমিয়ে যান। কিন্তু শাম্মী আক্তার গভীর রাতে তার স্বামী সালেকিন ও ভাবী আয়শা খানমকে ঘরের মাঝের বিছানায় আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে স্বামী সালেকিন আয়শা খানমের সহযোগিতায় মুখে বালিশ চাপা দিয়ে শাম্মীকে শ্বাসরোধে হত্যা করে।
মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহা. নূরুল ইসলাম বাদল বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। হত্যায় ব্যবহৃত বালিশটি জব্দ করা হয়েছে। গ্রেফতার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাতদিনের রিমান্ড চেয়ে মঙ্গলবার দুপুরে আদলতে সোপর্দ করা হয়।
এম জি






সানবিডি২৪ এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন













